মণিরামপুরে যৌথ বাহিনীর কম্বিং অপারেশন আটক ১২

monirampur
মোতাহার হোসেন, মণিরামপুর॥ মণিরামপুরে ইউএনও এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের উপর হামলা মারপিট, গাড়ী ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জামায়াত-বিএনপি’র ৫৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১২’শ ব্যাক্তিকে আসামি করে মামলা হয়েছে। তাদের মধ্যে গতকাল কন্বিং অপারেশন চালিয়ে ১২জনকে আটক করা হয়েছে। ৫ঘন্টার অভিযানে বিজিবি র‌্যাব ও পুলিশ অংশ নেয়।
শনিবার ১৮ দলীয় জোটের ডাকা অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে উপজেলার চালকিডাঙ্গা এলাকায় অবরোধকারীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পুলিশের দু’টি গাড়ী ভাংচুর এবং পুলিশের ব্যবহার করা একটি ট্রাকে অগ্নিসংযোগ করে। ঘটনার সময় অবরোধকারীদের হামলায় মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ওসিসহ ২৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়। এঘটনায় মণিরামপুর থানার এসআই রমজান আলী বাদী হয়ে উপজেলা জামায়াতে আমীর ফজলুল হকসহ জামায়াত-বিএনপির ৫৫ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করে। এমামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে আরো ১২’শ ব্যাক্তিকে। গতকাল চালকিডাঙ্গাসহ কয়েকটি গ্রামে আসামি আটক করতে কম্বিং অপারেশন চালায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। অভিযানে ৩শতাধিক বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশ সদস্য অংশ নেয়। তারা। চালকিডাঙ্গা এলাকার বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে অবরোধকারীদের খুঁজতে থাকে। অভিযান পরিচালনাকালে তারা জামায়াত নেতা ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জিএম হুমায়ুন কবীর মুক্তার বাড়ি ও তার বড়ভাই আবুল কামাল আজাদের বাড়িসহ কয়েকটি বাড়িতে ব্যাপক তল্লাশী চালায়। পরে যৌথ বাহিনীর একটি টিম মণিরামপুর পৌরশহর ও উপজেলার জয়পুর, চিনাটোলা, ঢাকুরিয়াসহ কয়েকটি স্থানে অভিযান চালায়। দীর্ঘ ৫ ঘন্টার অভিযানে ১২জন জনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশের একটি সূত্র জানায়। অভিযানে বিজিবি’র ২৬ ব্যাটেলিয়ানের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মতিউর রহমানের নেতৃত্বে অনান্যদের মধ্যে বিজিবি’র মেজর রায়হান, র‌্যাব-৬ এর মেজর রাজিব, যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার ক’সার্কেল মিলু মিয়া, খ’সার্কেল মোস্তফা কামাল অভিযান পরিচালনা করেন।

শেয়ার