বিশ্বের অদ্ভূত সব টয়লেট!

toylet
সমাজের কথা ডেস্ক॥ পৃথিবীতে কত বিচিত্র জিনিসই না রয়েছে। নইলে আড়াই হাজার মিটার উঁচু পাহাড়ের চূড়ায় কেউ পায়খানা বানায়! সেখানে নিয়মিত মল ত্যাগ করে থাকেন কারা-তুরেক অঞ্চলের আবহাওয়া বিভাগের কর্মীরা। আলতাই পর্বত শৃঙ্গের ওপর সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ২,৬০০ মিটার উঁচুতে এর অবস্থান।
আবহাওয়া দপ্তরের ওই কর্মীদের জন্য মাসে একবার চিঠিপত্র নিয়ে যান এক ডাকপিয়ন। আর তাদের জন্য খাবার আর পানি সরবরাহ করা হয় হেলিকপ্টার থেকে। রান্নার জন্য জ্বালানি কাঠ সরবরাহের কাজও চলে হেলিক্টারের মধ্যমেই। তবে তাদের জন্য অত উঁচু টয়লেটে মল ত্যাগ করাটাই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। একটু এদিক সেদিক হলেই যে পপাতধরনীতল।এজন্য তারা বাথরুম সারার কাজটা যতটা সম্ভব কমই করে থাকেন। ১৯৩৯ সাল থেকে এই অদ্ভূত পায়খানার ব্যবহার শুরু হয়েছে। দক্ষিণ আলতিয়ান এলাকার লোকজন এর নাম দিয়েছে কৃষ্ণ হৃদয়।
ইন্টারফ্যাক্স নিউজ এজেন্সির এক মুখপাত্র এ সম্পর্কে বলেন,‘ সম্ভবত এটি বিশ্বের সবচেয়ে অরোমাঞ্চিত স্থান। তবে পৃথিবীতে এখনো এমন কিছু স্থান রয়েছে যা সত্যিই বৈচিত্রপূর্ণ।’
সম্প্রতি বিশ্ব পায়খানা বিষয়ক জরিপে এটি পৃথিবীর চরমতম টয়লেট হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ইন্টারফেক্স নিউজ এজেন্সির তত্বাবধানে এ জরিপ পরিচালিত হয়।
জরিপে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল পায়খানার স্বীকৃতি পেয়েছে হংকংয়ের ‘সুইস হর্ন গোল্ড প্যালেস’। গত কয়েক বছর আগে তিন টন স্বর্ণ দিয়ে এটি নির্মান করা হয়। আর বিশ্বের ভয়াবহতম পায়খানার স্বীকৃতি পেয়েছে ম্যাক্সিকোর গুয়াদালজারা শহরের এক টয়লেট।
এছাড়া সার্বিয়ার একটি পায়খানা ‘চরম চরমতম’ টয়লেট বিবেচিত হয়েছে। কেননা কয়েক বছরে একবার মাত্র এর তরল পদার্থ নিষ্কাশণের কাজ হয়।

শেয়ার