বিক্ষোভে অচল হয়ে পড়ছে থাই সরকার

protestthi

বাংলানিউজ॥ বুধবার চতুর্থ দিনের মতো সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলছে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে। বিক্ষোভকারীরা সরকারের সবগুলো মন্ত্রণালয় বন্ধ করে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। বিক্ষোভের মুখে পর্যটন, পরিবহন, কৃষি, অর্থ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বন্ধ হয়ে গেছে। বিক্ষোভকারীদের তোপের মুখে দপ্তর ছেড়ে পালিয়ে গেছেন দেশটির শীর্ষ অপরাধীবিরোধী সংস্থার কর্মকর্তারা। এছাড়া, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মীদেরও দপ্তর ছাড়ার সময় বেধে দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। লাগাতার বিক্ষোভের মুখে অচল হয়ে পড়ছে দেশটির সরকার।
সরকারের পতন ত্বরান্বিত করার দাবিতে বুধবার রাজধানীর বাইরে সরকারি কার্যালয়গুলোও ঘেরাও করার জন্য রওয়ানা হয়েছে বিক্ষোভকারীরা।
বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির আইনজীবী সুথেপ থাউগসুবান। তিনি জানিয়েছেন, সরকার পতনের লক্ষ্যে ঘেরাও করে ১৪টি মন্ত্রণালয়ই বন্ধ করে দেবেন তারা। প্রত্যেকটি মন্ত্রণালয় জনগণের নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, ইংলাক শিনাওয়াত্রার ওপর তার ভাই ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন শিনাওয়াত্রার নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। থাকসিন চাইছেন ভাইকে দিয়ে নিজের অবৈধ শাসনের বৈধতা ফিরিয়ে নেবেন তিনি।
বিক্ষোভকারী দলের প্রধান সুথেপ থাউগসুবানের বিরুদ্ধে একটি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে পুলিশ। তবে পরোয়ানা সত্ত্বেও সুথেপকে গ্রেফতারের চেষ্টা করেনি পুলিশ।
এদিকে, পর্যটন মন্ত্রী সোমসাক পুরিস্রিসাক বলেছেন, আমাদেরকে (মন্ত্রণালয়) ছাড়তে হবে কেননা বিক্ষোভকারীরা সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেবে।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রা বলেছেন, যেহেতু বিক্ষোভকারীরা কোনো সহিংসতা দেখাচ্ছে না, সেহেতু সেনাবাহিনী ব্যবহারের কোনো ইচ্ছে নেই সরকারের। এছাড়া, পুলিশই বর্তমান পরিস্থিতি সামলাতে পারবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি।

শেয়ার