বাগেরহাটের চিতলমারীতে এসিল্যাণ্ড ইউএনও না থাকায় ভোগান্তি চরমে

বাগেরহাট প্রতিনিধি॥ বাগেরহাটের চিতলমারীতে দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কমিশনার (ভুমি) না থাকায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে মানুষ। এরফলে উপজেলার বিভিন্ন দাপ্তরির কর্মকাণ্ডেও স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগীমহল জানিয়েছে গত চার বছর ধরে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি পদ শূন্য থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের।
গত ২০০৭ সালের ১১ ডিসেম্বর মো. মোকতার হোসেন চিতলমারীতে এসিল্যাণ্ড পদে যোগদান করেন। এরপর ২০০৯ সালের ১৬ জুন তিনি এখান থেকে বদলি হয়ে অন্যত্র চলে যান। এরপর থেকে দীর্ঘ চার বছর ধরে পদটি শূন্য থাকায় মিউটেশনসহ ভূমি অফিসের যাবতীয় কর্মকাণ্ড ব্যহত হচ্ছে। এসিল্যাণ্ডের পরিবর্তে এইসব দপ্তরের সার্বিক কর্মকাণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দেখার দায়িত্ব থাকলেও অধিকাংশ সময় তিনিও অন্যসব দাপ্তরিক কর্মকান্ডে ব্যস্ত থাকায় এ দপ্তরে শত শত ফাইল জমা হয়ে আছে। যার কারণে সঠিক সময়ে লোকজন নামপত্তন (মিউটেশন) ও অন্যান্য কাজ করতে না পারায় জমির বেচা-কেনায় এর প্রভাব পড়ছে। এছাড়া গত আক্টোবর মাসে এখান কার ইউএনও লুলু বিলকিস বানু বদলি হয়ে খুলনা ফুলতলা উপজেলায় যোগদান করেন। এরপর থেকে এখানে অন্য কোন ইউএনও যোগদান না করায় উপজেলার সার্বিক কর্মকান্ড দারুন ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অফিস ও বেসরকারী শিা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানান, বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হলেও তিনি চিতলমারীতে নিয়মিত না আসায় অফিসের জরুরী কাগজ পত্র স্বার করাতে যেতে হয় বাগেরহাটে। চিতলমারী উপজেলা চেয়ারম্যান অশোক কুমার বড়াল জানান, এসিল্যান্ড ও ইউএনও না থাকায় প্রশাসনিক কর্মকান্ডসহ সার্বিক বিষয়ে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। জরুরী ভাবে তিনি এ সকল পদে কর্মকর্তাদের যোগদানের ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপরে সাথে যোগাযোগ রাখছেন।
জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শুকুর আলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ইউএনও’র যোগদানের ব্যাপারে আলোচনা চলছে। শীঘ্রই সুরাহা হবে।

শেয়ার