যশোরে জাপার পালে নির্বাচনী হাওয়া ॥ মনোনয়ন সংগ্রহে ১৯ নেতার দৌড়ঝাঁপ

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ জাতীয় পার্টি মহাজোট ছেড়ে এককভাবে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয়ায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আসন্ন সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন পেতে যশোরের ১৮ নেতা জোর লবিং চালিয়ে যাচ্ছে। জেলার ঝিমিয়ে পড়া নেতাকর্মীদের মধ্যে হঠাৎ করে উৎসাহ উদ্দীপনা বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও এর আগে জেলার ৬ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী দলটি ঘোষণা করেছে। তারপরও দলীয় মনোনয়ন কিনতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন আরো ১৩ জন প্রার্থী। ২০ নভেম্বর থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত বিক্রি হবে দলীয় মনোনয়ন। ২৬ নভেম্বরের মধ্যে মনোনয়ন ফরম জমা ও ২৭ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেয়া হবে।
দলীয় সূত্রে জানাগেছে, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন পেতে আগ্রহী ১৯ প্রার্থী। তারা দলীয় হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়েও স্বস্তিতে নেই ৬ প্রার্থী। তাদের বিপরীতে আরও ১৩ জন প্রার্থী দৌড়ঝাঁপ করায় মনোনয়ন ফরম নিয়ে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে। যার যার অবস্থান থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা দলীয় হাই কমান্ডের নজরে আসার চেষ্ঠা করছেন। যশোরে মনোনয়ন দৌঁড়ে আছেন যারা তারা হলেন, যশোর-১ (শার্শা) আসনে আব্দুস সবুর ও মফিজুল ইসলাম লিটন। যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনে জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সম্পাদক নুরুল কদর, অধ্যাপক রেজাউল ইসলাম ও হোসেন আলী। যশোর-৩ (সদর) আসনে জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মাহবুব আলম বাচ্চু, জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন রাজীব, অ্যাডভোকেট অখিল উদ্দিন ও অ্যাডভোকেট আমীর হোসেন। যশোর-৪ ( বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনে অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম জহির ও অবসরপ্রাপ্ত সাবেক সামরিক কর্মকর্তা সাব্বির হোসেন, যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে আব্দুল হালিম ও অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান, যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন ও জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শরিফুল ইসলাম চৌধুরী।
এ প্রসঙ্গে জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল কদর বলেন, কেন্দ্রীয়ভাবে জাতীয় পার্টি একক নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয়ায় তৃণমূলের নেতাকর্মীরা চাঙ্গা হয়েছে। জেলার মনোনয়ন প্রত্যাশীরা কয়েক দিনের মধ্যে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করবেন। তিনি নিজেও ক’দিনের মধ্যেই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করবেন।

শেয়ার