নির্বাচনী এলাকা ঝিনাইদহ-৩ ॥ আ’লীগের ১১ প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিলেও ভাগ্য নির্ধারণ হবে ৩ জনের মধ্যে

kotchandpur
কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি॥ কোটচাঁদপুর-মহেশপুর (ঝিনাইদহ-৩) আসনে আওয়ামী লীগের ১১ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে মাঠে নেমেছেন। এদের মধ্যে নতুন মুখের সংখ্যাই বেশি। ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল কমিশন ঘোষণা না হলেও বসে নেই আওয়ামীলীগ প্রার্থীরা। তারা আগে ভাগেই মনোনয়ন পত্র ক্রয় এবং জমা দিয়ে জোর লবিং শুরু করেছেন দলের ইয়েস কার্ড পাওয়ার আশায়। যে সব প্রার্থী মনোনয়ন পত্র ক্রয়এবং জমা দিয়েছেন তারা হলেন সংসদ সদস্য এ্যাড, শফিকুল আজম খান চঞ্চল, মহেশপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাজ্জাতুয জুম্মা চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুবলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ নবী নেওয়াজ, মহেশপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ময়যুদ্দিন হামিদ, ঝিনাইদহ কৃষকলীগের সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, কোটচাঁদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শরিফুন্নেসা মিকী, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহাজান আলী, এ্যাড, প্রিন্স ও মোহন খান। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য ৩ প্রার্থী মাঠ পর্যায়ে দীর্ঘদিন গনসংযোগে ব্যস্ত থাকলেও বাকি ৮ জন প্রার্থীর ভোটারদের সঙ্গে তেমন সংযোগ গড়ে ওঠেনি। নিতান্তই তারা শখের বসে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন বলে মনে করছেন ভোটাররা। উল্লেখযোগ্য ৩ প্রার্থী হলেন অধ্যক্ষ নবী নেওয়াজ, সাজ্জাতুয জুম্মা চৌধুরী ও শফিকুল আজম খান চঞ্চল। অধ্যক্ষ নবী নেওয়াজ এলাকায় একজন ক্লিন ম্যান হিসাবে পরিচিত। তিনি অন্যান্যদের তুলনায় দীর্ঘদিন যাবত গনসংযোগে এগিয়ে আছেন। এ ছাড়াও দলীয় ভোটারের বাইরে তার বড় আকারের নিজস্ব ভোট ব্যাংক আছে বলে জানা গেছে। সাজ্জাতুয জুম্মা চৌধুরী। দেশের একজন খ্যাতনামা ব্যাংক ব্যবসায়ী। িিতনি ব্যাংক নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এলাকায় তেমন সময় দিতে পারেন না। তারপরও এলাকায় তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। এছাড়া তিনি মহেশপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি । তিনি এবার প্রার্থী হতে চান। এর আগে তিনি ঝিনাইদহ-৩ আসন থেকে ১৯৯১, ১৯৯৬, ও ২০০১ সালে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচন করলেও পরাজিত হন। প্রার্থী হিসিাবে মাঠে আছেন বর্তমান সংসদ সদস্য শফিকুল আজম খান চঞ্চল। তবে ক্ষমতায় থেকে সবার মন জয় করতে পারেননি। এ নিয়ে মনোকষ্ট রয়েছে তৃণমুলের নেতাকর্মীদের। এঅবস্থায় যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন এবং দলীয় দ্ব›দ্ধ নিরসন করতে না পারলে আগামী নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন ভোটাররা।

শেয়ার