গণতন্ত্রের কথা বলে শিক্ষার্থীদের অনিশ্চয়তায় ফেলা যাবে না

nurul

বাংলানিউজ ॥
গণতন্ত্রের দোহাই দিয়ে তথাকথিত ভোটের নামে দেশের চার কোটি শিক্ষার্থীর জীবন অনিশ্চয়তায় ফেলা হচ্ছে বলে সংসদে অভিয়োগ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
স্বতন্ত্র প্রার্থী ফজলুল আজিম বুধবার জাতীয় সংসদে আনিত যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধন) বিল-২০১৩ এর ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর উদ্দেশ্য এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বতর্মানে দেশে বিভিন্ন বোর্ড পরীক্ষায় ৫০ লাখ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে। আজ থেকে প্রাথমিক স্কুল সার্টফিকেট পরীক্ষা শুরু হয়েছে। জেএসসি পরীক্ষা চলছে। এবতেদায়ী পরীক্ষা চলছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা চলছে। স্কুল কলেজে বার্ষিক পরীক্ষা চলছে। কিন্তু হরতালের নামে জ্বালাও পোড়াও কর্মসূচি দিয়ে এসব পরীক্ষার্থীদের অনিশ্চয়তায় ফেলা হচ্ছে।
নাহিদ বলেন, আজ যে পিএসসি পরীক্ষা শুরু হলো তারই পরীক্ষার্থী ছিল গাজীপুরে পুড়িয়ে মারা মনির। সে তার বাবার সঙ্গে বাইরে বের হয়েছিল। কিন্তু তাকে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারা হলো। আজ তার সিটটি খালি থাকল। পরীক্ষা দেওয়া হলো না মনিরের।
তিনি বলেন, আমি সাধারণত এসব কথা বলি না। কিন্তু আজ শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে এসব কথা বলতে বাধ্য হচ্ছি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্রের কথা বলে এই শিক্ষার্থীদের জীবন অনিশ্চত করা যাবে না। তাই আমি চার কোটি শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে বলতে চাই, আলোচনার দরজা খোলা আছে। আসুন আলোচনা করি কিন্তু ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনিশ্চয়তার পথে ঠেলে দেবেন না।
ফজলুল আজিম বলেন, শুনেছি আজই এ অধিবেশন শেষ হচ্ছে। আগেও এ কথা শুনেছিলাম। একটি নির্বাচনের কথাও শোনা যাচ্ছে। যদিও এ নির্বাচনে সবাই আসবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। নির্বাচন করাই যায়। আগেও এমন নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু সকব দল নির্বাচনে অংশ না নিলে তা গ্রহনণযোগ্য হয় না। জনগণের আস্থা অর্জন করা যায় না।
তিনি বলেন, নির্বাচন একটি মহাযজ্ঞ। গণতন্ত্র একটি মহোৎসব। তাই বতর্মান সংসদকে চলমান রেখে সবার অংশ গ্রহণ নিশ্চিত করতে নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে সমঝোতায় আসা উচিত।

শেয়ার