নির্বাচনী এলাকা যশোর-১ শার্শা ॥ ইয়েস কার্ড পেতে আ’লীগের ৫ নেতার দৌড়ঝাপ

Afil
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-১ (শার্শা) থেকে আওয়ামী লীগের ৫ প্রার্থী মাঠে নেমেছেন। ইতোমধ্যে তারা দলের মনোনয়ন সংগ্রহ করে জমাও দিয়েছেন। ৫জনই দলীয় মনোনয়ন পাবার ব্যাপারে খুবই আশাবাদী এবং তা নিশ্চিত করার জন্য এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
এ আসনে থেকে যে ৫জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তারা হলেন বর্তমান সংসদ সদস্য বিশিষ্ট শিল্পপতি শেখ আফিল উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুজিবুদ্দৌলা সরদার কনক, বেনাপোল পৌরসভার মেয়র ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের উপশিল্প বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল আলম লিটন, শার্শা উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মিন্নু এবং বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদের আইন বিষয়ক সম্পাদক সুর্প্রীমকোর্টের আইনজীবী ডক্টর একেএম আখতারুল কবীর। মনোনয়ন জমা দেয়ার পর থেকে সবাই দলের টিকিট পেতে জোর তদ্বির চালাচ্ছেন। তবে কার ভাগ্যে ছিকে ছিড়বে তা কেউ বলতে পারছেন না।
বিভিন্ন সুত্রে পাওয়া থবরে জানা গেছে বর্তমান সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন মনোনয়ন পাওয়ার তালিকায় এগিয়ে রয়েছেন।সংগঠনিক এবং উন্নয়ন কাজের পাশাপাশি বেকার যুবক যুবতীতের কর্মসংস্থান সৃস্টি করে তিনি শার্শাবাসীর কাছে প্রশংসনীয়ও হয়েছেন। যে কারণে মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে তার পাল্লা ভারি বলে মনে করছেন অনেকে। তবে মনোনয়নের লাভের প্রত্যাশায় অনেকটা এগিয়ে রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডভোকেট মুজিবুদ্দৌলা সরদার কনক। তিনি এই আসন থেকে ৪ বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মরহুম তবিবর রহমান সরদারের নাতি। শার্শায় এই নেতার রয়েছে অনেক অন্ধ ভক্ত। এছাড়া এ আসন থেকে মনোনয়ন লাভের আশা করছেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মান্নান মিন্নু। এ প্রত্যাশায় তিনি মাঠে ময়দানে প্রচার প্রচারণাও চালাচ্ছেন। ইতিমধ্যে যে খসড়া তালিকা করা হয়েছে তার অগ্রভাগে আব্দল মান্নান মিন্নুর নাম রয়েছে বলে দাবি করেছে তার ঘনিষ্ট সূত্র গুলো। অন্যদিকে বেনাপোল পৌরসভার মেয়র ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের উপশিল্প বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল আলম লিটন মনোনয়ন পেতে বছর খানেক ধরেই কেন্দ্রে লবিং চালাচ্ছেন। রাজনীতিতে অপক্ষোকৃত স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য এই যুবনেতা তরুণ সমাজের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন। যুবলীগ কোটায় তিনি মনোনয়ন পাবেন এমন আশা অনেকের । এ আসনে আরও এক মনোনয়ন প্রত্যাশী হলেন সুর্প্রীমকোর্টের আইনজীবী ডক্টর একেএম আখতারুল কবীর। গেলবারও তিনি মনোনয়ন কিনেছিলেন। কিন্তু দল থেকে মনোনয়ন পাননি। আসন্ন নির্বাচনে দলের টিকিট বাগিয়ে নিতে তিনি কেন্দ্রীয় বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদের নেতাদের মাধ্যমে জোর লবিং চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে। তবে দল থেকে যেই মনোনয়ন পাবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ নেতাকর্মীরা তার পক্ষেই কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন।

শেয়ার