১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ॥ যশোরের ৬ আসনে দলের মনোনয়ন ফরম জমা দিলেন আ’ লীগের ৪৪ নেতা

Nomination
তবিবর রহমান ॥
যশোরের ৬টি সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের ৪৪ জন নেতা দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। সবাই আশা করছেন দলীয় হইকমাণ্ডের সবুজ সংকেত পাওয়ার। তবে শেষ পর্যন্ত কার কাদের ভাগ্যে শিকে ছিড়ে পড়বে সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।
জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মীর জহুরুল ইসলাম জানান, যশোর-৩ সদর আসন থেকে, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আলী রেজা রাজু ও সাধারণ সম্পাদক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদারসহ ৭ জন দলের মনোনয়ন কিনেছেন। তবে শিল্পপতি এসএম কামাল হোসেন মনোনয়ন কিনেছেন বলে শোনা গেলেও কোন মাধ্যমে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসন থেকে ১১ আওয়ামী লীগ নেতা মনোনয়নপত্র কিনেছেন। তারা হলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদ, সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আলী রায়হান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঝিকরগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম, ঝিকরগাছা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম, জেলা যুবমহিলা লীগের সভাপতি ও ঝিকরগাছা উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মঞ্জুন্নাহার নাজনীন সোনালী, চৌগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম হাবিবুর রহমান, ঝিকরগাছা পৌরসভার মেয়র মোস্তাফা আনোয়ার পাশা জামাল, বঙ্গবন্ধু আইন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এবিএম আহসানুল হক আহসান, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা কামাল হোসেন। যশোর-১ (শার্শা) আসন থেকে মনোনয়নপত্র কিনেছেন ৫জন। তারা হলেন বর্তমান সংসদ সদস্য বিশিষ্ট শিল্পপতি শেখ আফিল উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুজিবুদ্দৌলা সরদার কনক, বেনাপোল পৌরসভার মেয়র ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের উপশিল্প বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল আলম লিটন ও শার্শা উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মিন্নু ও সুর্প্রীমকোর্টের আইনজীবী আখতারুল কবীর।
যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনে ৭ জন প্রার্থী দলীয় মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন। মনোনয়ন পত্র সংগ্রহকারী হলেন কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য আমজাদ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হায়দার গণি খান পলাশ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নাজমুল কাজল, অভয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক বাবুল, সাংসদ রণজিৎ কুমার রায়, জাতীয় সংসদের হুইপ শেখ আব্দুল ওহাব ও বাঘারপাড়ার আলমগীর হোসেন। যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসন থেকে দলের মনোনয়নপত্র ক্রয় করা ৫ নেতা হলেন, সংসদ সদস্য খান টিপু সুলতান, মণিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান স্বপন ভট্টাচার্য, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ মাহমুদুল হাসান, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহসম্পাদক আব্দুল মজিদ ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা কামরুল হাসান বারী।
যশোর-৬ (কেশবপুর) আসন থেকে মনোনয়নপত্র কিনেছেন ৯ জন। তারা হলেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী এইচএসকে সাদেকের স্ত্রী ইসমত আরা সাদেক, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাবেক পৌর মেয়র এসএম কামরুজ্জামান চুন্নু, কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান এইচ এম আমীর হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাস্টার রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফা, আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ শেখ আব্দুর রফিক, ঢাকা জজ কোর্ট এপিপি হোসাইন মোহাম্মদ ইসলাম, পৌর কাউন্সিলর বিপুল সিদ্দিকী ও সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল মান্নান।
এদিকে মনোনয়ন ক্রয়ের মধ্যে দিয়ে আওয়ামী শিবিরে বইছে নির্বাচনী আমেজ। তবে দলের মনোনয়ন ক্রয়ের পর থেকে নেতাকর্মীদের মনে একটাই প্রশ্ন কে হচ্ছেন নৌকার মাঝি। বঙ্গবন্ধুর নৌকা প্রতীক নিয়ে কে বা জয়লাভ করবে এখান শুধু সেবিষয়েই আলোচনা চলছে।
তবিবর রহমান
যশোরের ৬টি সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের ৪৪ জন নেতা দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। সবাই আশা করছেন দলীয় হইকমাণ্ডের সবুজ সংকেত পাওয়ার। তবে শেষ পর্যন্ত কার কাদের ভাগ্যে শিকে ছিড়ে পড়বে সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।
জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মীর জহুরুল ইসলাম জানান, যশোর-৩ সদর আসন থেকে, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আলী রেজা রাজু ও সাধারণ সম্পাদক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদারসহ ৭ জন দলের মনোনয়ন কিনেছেন। তবে শিল্পপতি এসএম কামাল হোসেন মনোনয়ন কিনেছেন বলে শোনা গেলেও কোন মাধ্যমে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসন থেকে ১১ আওয়ামী লীগ নেতা মনোনয়নপত্র কিনেছেন। তারা হলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদ, সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আলী রায়হান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঝিকরগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম, ঝিকরগাছা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম, জেলা যুবমহিলা লীগের সভাপতি ও ঝিকরগাছা উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মঞ্জুন্নাহার নাজনীন সোনালী, চৌগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম হাবিবুর রহমান, ঝিকরগাছা পৌরসভার মেয়র মোস্তাফা আনোয়ার পাশা জামাল, বঙ্গবন্ধু আইন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এবিএম আহসানুল হক আহসান, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা কামাল হোসেন। যশোর-১ (শার্শা) আসন থেকে মনোনয়নপত্র কিনেছেন ৫জন। তারা হলেন বর্তমান সংসদ সদস্য বিশিষ্ট শিল্পপতি শেখ আফিল উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুজিবুদ্দৌলা সরদার কনক, বেনাপোল পৌরসভার মেয়র ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের উপশিল্প বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল আলম লিটন ও শার্শা উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মিন্নু ও সুর্প্রীমকোর্টের আইনজীবী আখতারুল কবীর।
যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনে ৭ জন প্রার্থী দলীয় মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন। মনোনয়ন পত্র সংগ্রহকারী হলেন কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য আমজাদ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হায়দার গণি খান পলাশ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নাজমুল কাজল, অভয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক বাবুল, সাংসদ রণজিৎ কুমার রায়, জাতীয় সংসদের হুইপ শেখ আব্দুল ওহাব ও বাঘারপাড়ার আলমগীর হোসেন। যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসন থেকে দলের মনোনয়নপত্র ক্রয় করা ৫ নেতা হলেন, সংসদ সদস্য খান টিপু সুলতান, মণিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান স্বপন ভট্টাচার্য, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ মাহমুদুল হাসান, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহসম্পাদক আব্দুল মজিদ ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা কামরুল হাসান বারী।
যশোর-৬ (কেশবপুর) আসন থেকে মনোনয়নপত্র কিনেছেন ৯ জন। তারা হলেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী এইচএসকে সাদেকের স্ত্রী ইসমত আরা সাদেক, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাবেক পৌর মেয়র এসএম কামরুজ্জামান চুন্নু, কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান এইচ এম আমীর হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাস্টার রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফা, আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ শেখ আব্দুর রফিক, ঢাকা জজ কোর্ট এপিপি হোসাইন মোহাম্মদ ইসলাম, পৌর কাউন্সিলর বিপুল সিদ্দিকী ও সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল মান্নান।
এদিকে মনোনয়ন ক্রয়ের মধ্যে দিয়ে আওয়ামী শিবিরে বইছে নির্বাচনী আমেজ। তবে দলের মনোনয়ন ক্রয়ের পর থেকে নেতাকর্মীদের মনে একটাই প্রশ্ন কে হচ্ছেন নৌকার মাঝি। বঙ্গবন্ধুর নৌকা প্রতীক নিয়ে কে বা জয়লাভ করবে এখান শুধু সেবিষয়েই আলোচনা চলছে।

শেয়ার