জাতীয় প্রবীণ নীতিমালা অনুমোদন

বাংলানিউজ ॥
ষাটের বেশি বয়েসী নাগরিকদের জ্যেষ্ঠ নাগরিক (সিনিয়র সিটিজেন) মর্যাদা দিয়ে ‘জাতীয় প্রবীণ নীতিমালা, ২০১৩’ খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
রোববার মন্ত্রিসভার ২২৬তম বৈঠকে প্রবীণ নীতিমালা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা।
জাতিসংঘের সজ্ঞানুযায়ী ষাট বছরকে প্রবীণ ধরা হয়েছে। যদিও উন্নত রাষ্ট্রে এই বয়সসীমা ধরা হয় ৬৫ বছর।
প্রবীণ ও জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের মর্যাদাপূর্ণ, দারিদ্রমুক্ত, সুস্থ ও নিরপাদ জীবনের জন্যই এ উদ্যেগ নেওয়া হয়েছে। তাদের জন্য গণপরিবহনে আসন সংরক্ষণ ও পর্যায়ক্রমে হ্রাসমূল্যে টিকেট সুবিধার কথা উল্লেখ রয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
প্রবীণ নাগরিকদের জন্য পরিচিতি কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড, প্রবীণ নিবাস, ডে কেয়ার সেন্টার স্থাপন ইত্যাদি সুবিধা প্রর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন। দরিদ্র প্রবীণদের জন্য দারিদ্র নিরসন প্রকল্পও নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে নীতিমালায়।
মন্ত্রী পরিষদ সচিব জানান, নীতিমালা বাস্তবায়নে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর অধীনে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হবে। সেই সঙ্গে প্রতিটি জেলা-উপজেলা ও ওয়াড পর্যায়ে একটি করে কমিটি থাকবে।
সচিব জানান, দেশে গড় আয়ু বেড়েছে। আর গড় আয়ু বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রবীণের সংখ্যাও বেড়েছে। তাই প্রবীণদের নিরাপত্তার জন্য এই নীতিমালা করা হচ্ছে। প্রয়োজনে এই নীতিমালা সংশোধন করা যাবে।

শেয়ার