সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে জিম্মি সংখ্যালঘু পরিবার চিতলমারীর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন

বাগেরহাট প্রতিনিধি॥ বাগেরহাটের চিতলমারীতে সন্ত্রাসী ইসলাম ও সারাফাত বাহিনীর হাতে জিম্মি শতাধিক সংখ্যালঘু পরিবার। এ বিষয়ে গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হলে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।
জানা যায়, উপজেলার ঘোলা গ্রামের হেমায়েত শেখের ছেলে ইসলাম শেখ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় একটি সন্ত্রাসী বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। এই বাহিনীর সেকেণ্ড ইন কমাণ্ড হিসা্েব দায়িত্ব পালন করছেন চিতলমারী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান কালিদাস বড়াল হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত ফাঁসির আসামি বাবলু কাজীর ছোট ভাই শরাফাত কাজী। এই বাহিনীর রেজোয়ান মোল্লা, মাহামুদ শেখ,ওসমান সহ ২০-২৫ জনের অত্যাচার-নির্যাতনে এলাকার লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এদের ভয়ে অনেকেই মুখ খুলতে সাহস পায়না। এ বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে। একাধিক মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও এরা বীরদর্পে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে বহু অভিযোগ রয়েছে।
এলাকার সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবার গুলোর উপর এদের নির্যাতন-জুলুম অব্যাহত রয়েছে। দাবিকৃত চাঁদার টাকা দিতে কেউ ব্যর্থ হলে ওইসব পরিবারের লোকজনকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে তারা। বাধ্য হয়ে অনেকেই প্রাণ ভয়ে জায়গাজমি বিক্রি করে এদের হাতে চাঁদার টাকা তুলে দিতে বাধ্য হচ্ছে। কেউ কেউ জায়গা জমি বিক্রি করে নিরবে দেশত্যাগ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে একাধিক সুত্র থেকে জানা যায়।
এ খবর গত কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় প্রকাশিত হলে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। শুক্রবার আইন ও সালিশ কেন্দ্র ও মহিলা পরিষদ সহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তদন্তকারী কর্মকর্তা অনির্বান সাহা ও মাহাবুব আলম জানান, নির্যাতিত পরিবারগুলোর সদস্যরা জানিয়েছেন এখনো পর্যন্ত তারা নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন। নির্যাতিতরা আইনি সহায়তা চাইলে তাদের আইনি সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে তিনি জানান।
বাগেরহাট প্রতিনিধি॥ বাগেরহাটের চিতলমারীতে সন্ত্রাসী ইসলাম ও সারাফাত বাহিনীর হাতে জিম্মি শতাধিক সংখ্যালঘু পরিবার। এ বিষয়ে গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হলে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।
জানা যায়, উপজেলার ঘোলা গ্রামের হেমায়েত শেখের ছেলে ইসলাম শেখ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় একটি সন্ত্রাসী বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। এই বাহিনীর সেকেণ্ড ইন কমাণ্ড হিসা্েব দায়িত্ব পালন করছেন চিতলমারী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান কালিদাস বড়াল হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত ফাঁসির আসামি বাবলু কাজীর ছোট ভাই শরাফাত কাজী। এই বাহিনীর রেজোয়ান মোল্লা, মাহামুদ শেখ,ওসমান সহ ২০-২৫ জনের অত্যাচার-নির্যাতনে এলাকার লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এদের ভয়ে অনেকেই মুখ খুলতে সাহস পায়না। এ বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে। একাধিক মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও এরা বীরদর্পে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে বহু অভিযোগ রয়েছে।
এলাকার সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবার গুলোর উপর এদের নির্যাতন-জুলুম অব্যাহত রয়েছে। দাবিকৃত চাঁদার টাকা দিতে কেউ ব্যর্থ হলে ওইসব পরিবারের লোকজনকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে তারা। বাধ্য হয়ে অনেকেই প্রাণ ভয়ে জায়গাজমি বিক্রি করে এদের হাতে চাঁদার টাকা তুলে দিতে বাধ্য হচ্ছে। কেউ কেউ জায়গা জমি বিক্রি করে নিরবে দেশত্যাগ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে একাধিক সুত্র থেকে জানা যায়।
এ খবর গত কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় প্রকাশিত হলে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। শুক্রবার আইন ও সালিশ কেন্দ্র ও মহিলা পরিষদ সহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তদন্তকারী কর্মকর্তা অনির্বান সাহা ও মাহাবুব আলম জানান, নির্যাতিত পরিবারগুলোর সদস্যরা জানিয়েছেন এখনো পর্যন্ত তারা নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন। নির্যাতিতরা আইনি সহায়তা চাইলে তাদের আইনি সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার