তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র বলাৎকারের অভিযোগে যশোরে হেফাজত নেতা আটক

bolatkar
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ যশোরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে. কওমি মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আহম্মেদ হাসান (৩৩)কে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় অভিযুক্ত ওই অধ্যক্ষের ব্যবহৃত ল্যাপটপ জব্দ করা হয়। শনিবার সকালে শহরের রেলগেট তেতুলতলার মাদ্রাসাতুল হাসান থেকে পুলিশ তাকে আটক করে। আটক আহম্মেদ হাসান জেলা হেফাজতে ইসলামের যশোর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আনোয়ারুল করিমের ছোট ছেলে। তিনি নিজেও একজন হেফাজত ইসলামের নেতা।
চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সৈয়দ বায়েজিদ হোসেন জানান, বলাৎকারের শিকার শিশুটির বাড়ি শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সাতমাইল এলাকায়। তিন মাস আগে ৯ বছর বয়সী ওই ছেলেকে মাদ্রাসাতুল হাসানে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হয়। প্রায় এক মাস যাবৎ মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আহম্মেদ হাসান তার উপর যৌন নির্যাতন করে আসছিলেন। এর পূর্বে ওই অধ্যক্ষের ব্যবহৃত ল্যাপটপ থেকে বিভিন্ন ধরনের অশ্লীল ভিডিও শিশুটিকে দেখানো হতো। এর পর অধ্যক্ষ শিশুটির উপরে অস্বাভাবিক যৌন নিপিড়ন চালাতে থাকেন। শিশুটি অধ্যক্ষের নির্যাতনের ভয়ে কয়েকবার পালিয়ে বাড়িতে চলে যায়। কিন্তু বিষয়টি বাড়ির কাউকে বলতে সাহস না পেয়ে এবং বাড়ির লোকজনের চাপে আবারো মাদ্রাসায় পাঠানো হয়। ১০ অক্টোবর ভোরে শিশুটি পালিয়ে মাদ্রাসা থেকে চাঁচড়া চেকপোস্ট এলাকায় কান্নাকাটি করে। এ সময় এক পথচারি তার বাড়িতে ফোন করে জানায়। বাড়ি থেকে লোকজন এসে তাকে নিয়ে যায়। শিশুটি বাড়ির লোকদের ঘটনাটি জানালে তার মা এসে কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। শনিবার সকালে কোতোয়ালি থানার ওসি লম্পট অধ্যক্ষ আহম্মেদকে আটক করে। আটককালে তার ব্যবহৃত ল্যাপটপ জব্দ করে পুলিশ। তার ল্যাপটপে অনেক অশ্লীল ভিডিও চিত্র ছিল বলে পুলিশ জানায়। হেফাজত কর্মীর যৌন নিপিড়ন ও তার আটকের খবর দুপুরে থানায় প্রেসব্রিফিংয়ের মাধ্যমে সাংবাদিকদের জানানো হয়।
এ সময় এএসপি ক- সার্কেল মিলু মিয়া বিশ্বাস, এএসপি মামুনুর রশিদ, নূর-ই আলম সিদ্দিকী ও কোতোয়ালি থানার ওসি এমদাদুল হক শেখ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য নৈতিক স্খলনের কারনে প্রায় দুই বছর আগে অধ্যক্ষ আহম্মেদ হাসানের স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যায় বলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন। এ ছাড়া তার পিতা যশোর রেল স্টেশন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এবং জেলা হেফাজতে ইসলামের সভাপতি।
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ যশোরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে. কওমি মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আহম্মেদ হাসান (৩৩)কে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় অভিযুক্ত ওই অধ্যক্ষের ব্যবহৃত ল্যাপটপ জব্দ করা হয়। শনিবার সকালে শহরের রেলগেট তেতুলতলার মাদ্রাসাতুল হাসান থেকে পুলিশ তাকে আটক করে। আটক আহম্মেদ হাসান জেলা হেফাজতে ইসলামের যশোর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আনোয়ারুল করিমের ছোট ছেলে। তিনি নিজেও একজন হেফাজত ইসলামের নেতা।
চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সৈয়দ বায়েজিদ হোসেন জানান, বলাৎকারের শিকার শিশুটির বাড়ি শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সাতমাইল এলাকায়। তিন মাস আগে ৯ বছর বয়সী ওই ছেলেকে মাদ্রাসাতুল হাসানে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হয়। প্রায় এক মাস যাবৎ মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আহম্মেদ হাসান তার উপর যৌন নির্যাতন করে আসছিলেন। এর পূর্বে ওই অধ্যক্ষের ব্যবহৃত ল্যাপটপ থেকে বিভিন্ন ধরনের অশ্লীল ভিডিও শিশুটিকে দেখানো হতো। এর পর অধ্যক্ষ শিশুটির উপরে অস্বাভাবিক যৌন নিপিড়ন চালাতে থাকেন। শিশুটি অধ্যক্ষের নির্যাতনের ভয়ে কয়েকবার পালিয়ে বাড়িতে চলে যায়। কিন্তু বিষয়টি বাড়ির কাউকে বলতে সাহস না পেয়ে এবং বাড়ির লোকজনের চাপে আবারো মাদ্রাসায় পাঠানো হয়। ১০ অক্টোবর ভোরে শিশুটি পালিয়ে মাদ্রাসা থেকে চাঁচড়া চেকপোস্ট এলাকায় কান্নাকাটি করে। এ সময় এক পথচারি তার বাড়িতে ফোন করে জানায়। বাড়ি থেকে লোকজন এসে তাকে নিয়ে যায়। শিশুটি বাড়ির লোকদের ঘটনাটি জানালে তার মা এসে কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। শনিবার সকালে কোতোয়ালি থানার ওসি লম্পট অধ্যক্ষ আহম্মেদকে আটক করে। আটককালে তার ব্যবহৃত ল্যাপটপ জব্দ করে পুলিশ। তার ল্যাপটপে অনেক অশ্লীল ভিডিও চিত্র ছিল বলে পুলিশ জানায়। হেফাজত কর্মীর যৌন নিপিড়ন ও তার আটকের খবর দুপুরে থানায় প্রেসব্রিফিংয়ের মাধ্যমে সাংবাদিকদের জানানো হয়।
এ সময় এএসপি ক- সার্কেল মিলু মিয়া বিশ্বাস, এএসপি মামুনুর রশিদ, নূর-ই আলম সিদ্দিকী ও কোতোয়ালি থানার ওসি এমদাদুল হক শেখ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য নৈতিক স্খলনের কারনে প্রায় দুই বছর আগে অধ্যক্ষ আহম্মেদ হাসানের স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যায় বলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন। এ ছাড়া তার পিতা যশোর রেল স্টেশন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এবং জেলা হেফাজতে ইসলামের সভাপতি।

শেয়ার