পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করল প্রোটিয়ারা

pakistan
বাংলানিউজ ॥
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হোম ভেন্যুতে ব্যাটিং লজ্জার বৃত্ত থেকে বের হতে পারল না পাকিস্তান। শুক্রবার দুবাইয়ে দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৬ রানের হার মানতে হলো তাদের। আর টেস্ট ড্র ও ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশে হারানোর কৃতিত্ব নিয়ে দেশে ফিরছে প্রোটিয়ারা।
দক্ষিণ আফ্রিকা: ১৫০/৫ (২০ ওভার)
পাকিস্তান: ১৪৪/৯ (২০ ওভার)
ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৬ রানে জয়ী
দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিং নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। সাঈদ আজমল ও সোহেল তানভিরের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি তারা। দলীয় ৩৭ রানে কুইন্টন ডি কক (৩০) আজমলের শিকার হলে হাশিম আমলার সঙ্গে অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিসের ৭৮ রানের জুটিই বড় অবদান রাখে।
আমলা ব্যক্তিগত ৪৮ রানে আজমলের কাছে উইকেট বিলিয়ে দিলে এই জুটি ভাঙে। এরপর প্লেসিস চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ফিফটি পেলেও তাকে ভালো সঙ্গ দিতে পারেননি অন্য কেউ। ৪০ বলে এক চার ও তিন ছয়ে ফিফটি পাওয়া এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান টিকে ছিলেন ৫৮ রানে। তার এই সেরা ইনিংসই অবশেষে জয়ে বড় ভূমিকা রাখে।
আজমল সবচেয়ে বেশি তিন উইকেট নেন। দুটি পান তানভির।
লক্ষ্যে নেমে শুরুটা বেশ ভালোই করেছিল মোহাম্মদ হাফিজের দল। ৩৯ রানে আহমেদ শেহজাদ (২১) ও হাফিজকে সাজঘরে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সুযোগ পান ওয়েন পারনেল। তবে প্রোটিয়া পেসার সফল হননি শোয়েব মালিক বলটি প্রতিহত করলে। অবশ্য আর সাতটি রান যোগ করতে নাসির জামশেদ (১৯) তৃতীয় ব্যাটসম্যান হয়ে প্যাভিলিয়নমুখী হন।
শোয়েব মাকসূদকে নিয়ে ২৯ রানের জুটি গড়ে দলীয় ৭৫ রানে শোয়েব রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন। এরপর উমর আকমলকে নিয়ে ২৬ রান এনে দিয়ে দলকে জয়ের আভাস দিয়েছিলেন মাকসূদ।
আকমল ১১ রানে রায়ান ম্যাকলারেনের কাছে উইকেট হারান। দলীয় স্কোরবোর্ডে তখন ১০১ রান, নেই চার উইকেট। ইমরান তাহিরের ঘূর্ণিতে ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ। তার টানা দুটি উইকেটসহ ২০ রান যোগ করতে দলটি হারায় আরো চারটি উইকেট।
শেষদিকে আফ্রিদির ব্যাটে আবারো জয়ের স্বপ্ন উঁকি দিতে থাকে। কিন্তু ইনিংসের ৮ বল বাকি থাকতে ডেল স্টেইনের শিকার তিনিও। শেষ ওভারে এক উইকেট হাতে রেখে ১০ রান দরকার ছিল পাকিস্তানের। আজমল ও মোহাম্মদ ইরফান মাত্র তিন রান যোগ করতে সমর্থ হন।
পারনেল তিনটি উইকেট নেন। দুটি করে পান স্টেইন ও তাহির।

শেয়ার