কালীগঞ্জ পৌরসভা নামেই প্রথম শ্রেণির কর বৃদ্ধি পেলেও নাগরিক সুবিধা বাড়েনি

Road Pic
নিজস্ব প্রতিবেদক, কালীগঞ্জ॥ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের প্রথম শ্রেণির পৌরসভা বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। প্রতিবছর পৌর নাগরিকদের ঘাড়ে করের বোঝা বৃদ্ধি পেলেও নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত পৌরবাসী। আর রাস্তাঘাটের বেহাল দর্শায় স্বয়ং পৌর কাউন্সিলররা ক্ষিপ্ত। দীর্ঘদিনেও কালীগঞ্জের কোনো পাড়া মহল্লায় পানির লাইন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ লাইন সম্প্রসারণ হয়নি। পাড়া মহল্লার রাস্তা ভেঙ্গে খানা খন্দে পরিণত হয়েছে। আবার একই রাস্তার নামে একাধিকবার বিল তুলে নেয়া হয়েছে। অথচ জনগুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি রাস্তায় দীর্ঘদিনেও উন্নয়নের কোন স্পর্শ লাগেনি। এতে করে পৌর নাগরিকরা অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, মেয়র তার নিজ ওয়ার্ডের রাস্তা একাধিক করেছেন। অথচ কলেজ রোডের কাঁচা বাজার হাটের রাস্তা, নিশ্চিন্তপুরের রাস্তা, আড়পাড়া নদীপাড়া রাস্তা, ফয়লা গ্রামের রাস্তাসহ বেশ কয়েকটি রাস্তা ভেঙ্গে খানা খন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এসব এলাকায় মধ্যে আড়পাড়া নদীপাড়ার রাস্তাটি দীর্ঘ ১৬ বছরে পাকা হয়নি। পৌছায়নি পানির লাইন, স্ট্রিট লাইট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা। অথচ এসব এলাকার নাগরিকদের ওপর বেড়েছে কয়েকগুন করের বোঝা। একই অবস্থা বিরাজ করছে নিশ্চিন্তপুর রোডটিতে। আর কলেজ রোডের কাঁচামাল হাটার রাস্তাটি বছরের অধিকাংশ সময়ই পানিতে ডুবে থাকে।
অথচ পৌর মেয়রের ওয়ার্ড রাস্তাটি রয়েছে টিপটপ। সকাল বিকাল রাস্তা ঝাড়– দেয় পৌর পরিচ্ছন্নকর্মীরা। রাতে আলোয় ঝলমল করে এলাকাটি। বাকি সব রয়ে গেছে অন্ধকারে।
কালীগঞ্জ পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার আশরাফুল ইসলাম মিঠু জানান, গত ৬ বছর আগে তার এলাকায় পৌরবাসির চলাচলের ও পানি নিষ্কাশনের জন্য দু’টি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। কিন্তু ব্রিজ দু’টি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার অতিনি¤œ মানের ইট, বালি, খোয়া, সিমেন্ট ও ভিতরে লোহার রডের পরিমান কম দেবার কারণে ব্রিজগুলি অল্প সময়ের মধ্যে ভেঙ্গে পড়েছে।
একটি ব্রিজ এক বছর এবং অপরটি প্রায় ৬ মাস ভেঙ্গে যাবার কারণে এখন সাধারন যানবাহন চলাচল পারছে না। ফলে পৌরবাসীদের ঝুকি নিয়ে চলতে হয়। বিশেষ করে ফয়লা নদী পাড়ার শাহাবুদ্দিনের বাড়ির পাশের ব্রিজটি যেভাবে ভেঙ্গে রয়েছে ও ভাঙ্গা স্থানে বন জঙ্গলের সৃষ্টি সেখান দিয়ে মানুষের চলাচল করা দূরূহ হয়ে পড়েছে।
অপরদিকে ফয়লা এলাকার বটতলা থেকে মল্লিকপুর এবং সাবেক কমিশনারের বাড়ির রাস্তা দু’টি র্দীর্ঘদিন ইট খোয়া উঠে যাবার কারণে বড় বড় গর্তে পরিণত হয়েছে। রাস্তা দু’টি সংস্কারের অভাবে জনসাধারনের চলাচল করতে মারাত্মক বিঘœ সৃষ্টি হচ্ছে।
ফয়লা এলাকার ৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার আশরাফুল ইসলাম মিঠু জানান, একাধিকবার পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান কে জানানোর পরও তিনি বিষয়টি আমলে নেননি।
এ ব্যাপারে পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান বিজু জানান, নতুন করে এসব রাস্তা করা হবে। যেখানে বিদ্যুৎ নেই সেখানে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, কালীগঞ্জ॥ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের প্রথম শ্রেণির পৌরসভা বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। প্রতিবছর পৌর নাগরিকদের ঘাড়ে করের বোঝা বৃদ্ধি পেলেও নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত পৌরবাসী। আর রাস্তাঘাটের বেহাল দর্শায় স্বয়ং পৌর কাউন্সিলররা ক্ষিপ্ত। দীর্ঘদিনেও কালীগঞ্জের কোনো পাড়া মহল্লায় পানির লাইন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ লাইন সম্প্রসারণ হয়নি। পাড়া মহল্লার রাস্তা ভেঙ্গে খানা খন্দে পরিণত হয়েছে। আবার একই রাস্তার নামে একাধিকবার বিল তুলে নেয়া হয়েছে। অথচ জনগুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি রাস্তায় দীর্ঘদিনেও উন্নয়নের কোন স্পর্শ লাগেনি। এতে করে পৌর নাগরিকরা অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, মেয়র তার নিজ ওয়ার্ডের রাস্তা একাধিক করেছেন। অথচ কলেজ রোডের কাঁচা বাজার হাটের রাস্তা, নিশ্চিন্তপুরের রাস্তা, আড়পাড়া নদীপাড়া রাস্তা, ফয়লা গ্রামের রাস্তাসহ বেশ কয়েকটি রাস্তা ভেঙ্গে খানা খন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এসব এলাকায় মধ্যে আড়পাড়া নদীপাড়ার রাস্তাটি দীর্ঘ ১৬ বছরে পাকা হয়নি। পৌছায়নি পানির লাইন, স্ট্রিট লাইট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা। অথচ এসব এলাকার নাগরিকদের ওপর বেড়েছে কয়েকগুন করের বোঝা। একই অবস্থা বিরাজ করছে নিশ্চিন্তপুর রোডটিতে। আর কলেজ রোডের কাঁচামাল হাটার রাস্তাটি বছরের অধিকাংশ সময়ই পানিতে ডুবে থাকে।
অথচ পৌর মেয়রের ওয়ার্ড রাস্তাটি রয়েছে টিপটপ। সকাল বিকাল রাস্তা ঝাড়– দেয় পৌর পরিচ্ছন্নকর্মীরা। রাতে আলোয় ঝলমল করে এলাকাটি। বাকি সব রয়ে গেছে অন্ধকারে।
কালীগঞ্জ পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার আশরাফুল ইসলাম মিঠু জানান, গত ৬ বছর আগে তার এলাকায় পৌরবাসির চলাচলের ও পানি নিষ্কাশনের জন্য দু’টি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। কিন্তু ব্রিজ দু’টি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার অতিনি¤œ মানের ইট, বালি, খোয়া, সিমেন্ট ও ভিতরে লোহার রডের পরিমান কম দেবার কারণে ব্রিজগুলি অল্প সময়ের মধ্যে ভেঙ্গে পড়েছে।
একটি ব্রিজ এক বছর এবং অপরটি প্রায় ৬ মাস ভেঙ্গে যাবার কারণে এখন সাধারন যানবাহন চলাচল পারছে না। ফলে পৌরবাসীদের ঝুকি নিয়ে চলতে হয়। বিশেষ করে ফয়লা নদী পাড়ার শাহাবুদ্দিনের বাড়ির পাশের ব্রিজটি যেভাবে ভেঙ্গে রয়েছে ও ভাঙ্গা স্থানে বন জঙ্গলের সৃষ্টি সেখান দিয়ে মানুষের চলাচল করা দূরূহ হয়ে পড়েছে।
অপরদিকে ফয়লা এলাকার বটতলা থেকে মল্লিকপুর এবং সাবেক কমিশনারের বাড়ির রাস্তা দু’টি র্দীর্ঘদিন ইট খোয়া উঠে যাবার কারণে বড় বড় গর্তে পরিণত হয়েছে। রাস্তা দু’টি সংস্কারের অভাবে জনসাধারনের চলাচল করতে মারাত্মক বিঘœ সৃষ্টি হচ্ছে।
ফয়লা এলাকার ৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার আশরাফুল ইসলাম মিঠু জানান, একাধিকবার পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান কে জানানোর পরও তিনি বিষয়টি আমলে নেননি।
এ ব্যাপারে পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান বিজু জানান, নতুন করে এসব রাস্তা করা হবে। যেখানে বিদ্যুৎ নেই সেখানে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হবে।

শেয়ার