কপোতাক্ষ’র জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে ১০ দফা দাবিতে স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ কপোতাক্ষ অববাহিকার দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে ১০ দফা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে কপোতাক্ষ বাঁচাও আন্দোলন। বৃহস্পতিবার দুপুরে যশোরের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, মহাজোট সরকার তাদের নির্বাচনী ওয়াদা অনুযায়ী কপোতাক্ষ খননে ২৬১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা বরাদ্দ করে। কিন্তু সরকার এ নদ খননে মনোযোগী ছিল না, আর পানি উন্নয়ন বোর্ডও তাদের দায়িত্ব পালন করেনি।
এ কারণে উজানে জীবননগর, কোটচাঁদপুর, চৌগাছা থেকে ঝিকরগাছা, মণিরামপুর, কেশবপুর হয়ে কলারোয়া, তালা, কপিলমুনি ও পাইকগাছা পর্যন্ত উপজেলাগুলোর নদ অববাহিকার মাঠের ফসল জলবদ্ধতার কারণে নষ্ট হয়ে গেছে।
বহু গ্রামের মানুষ এখনও জলাবদ্ধতায় দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে উপদ্রুত মানুষগুলোতে আসন্ন শীতে ভয়াবহ দুর্যোগের মধ্যে পড়তে হবে।
এ জন্য কপোতাক্ষ বাঁচাও আন্দোলন ১০ দফা দাবি উপস্থাপন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে, তালার ঘোষনগর থেকে রহিমপুর পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার নদ দ্রুত খনন, জলাবদ্ধ এলাকায় অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ত্রাণ ও পুনর্বাসন, রেসনিং ব্যবস্থা, শস্যবীমা, কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচিসহ উজানে মাথাভাঙ্গা-পদ্মার সাথে সংযোগ দিয়ে ভৈরব কপোতাক্ষ সংস্কারের প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, কপোতাক্ষ বাঁচাও আন্দোলনের প্রধান উপদেষ্টা ইকবাল কবির জাহিদ, আহ্বায়ক অনিল বিশ্বাস, অ্যাড. আবু বকর সিদ্দিকী, হাফিজুর রহমান দুলু, আব্দুর রহিম, শরীফুজ্জামান আগা খান, রওশন আলী, দীপঙ্কর দাস রতন প্রমুখ।
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ কপোতাক্ষ অববাহিকার দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে ১০ দফা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে কপোতাক্ষ বাঁচাও আন্দোলন। বৃহস্পতিবার দুপুরে যশোরের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, মহাজোট সরকার তাদের নির্বাচনী ওয়াদা অনুযায়ী কপোতাক্ষ খননে ২৬১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা বরাদ্দ করে। কিন্তু সরকার এ নদ খননে মনোযোগী ছিল না, আর পানি উন্নয়ন বোর্ডও তাদের দায়িত্ব পালন করেনি।
এ কারণে উজানে জীবননগর, কোটচাঁদপুর, চৌগাছা থেকে ঝিকরগাছা, মণিরামপুর, কেশবপুর হয়ে কলারোয়া, তালা, কপিলমুনি ও পাইকগাছা পর্যন্ত উপজেলাগুলোর নদ অববাহিকার মাঠের ফসল জলবদ্ধতার কারণে নষ্ট হয়ে গেছে।
বহু গ্রামের মানুষ এখনও জলাবদ্ধতায় দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে উপদ্রুত মানুষগুলোতে আসন্ন শীতে ভয়াবহ দুর্যোগের মধ্যে পড়তে হবে।
এ জন্য কপোতাক্ষ বাঁচাও আন্দোলন ১০ দফা দাবি উপস্থাপন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে, তালার ঘোষনগর থেকে রহিমপুর পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার নদ দ্রুত খনন, জলাবদ্ধ এলাকায় অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ত্রাণ ও পুনর্বাসন, রেসনিং ব্যবস্থা, শস্যবীমা, কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচিসহ উজানে মাথাভাঙ্গা-পদ্মার সাথে সংযোগ দিয়ে ভৈরব কপোতাক্ষ সংস্কারের প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, কপোতাক্ষ বাঁচাও আন্দোলনের প্রধান উপদেষ্টা ইকবাল কবির জাহিদ, আহ্বায়ক অনিল বিশ্বাস, অ্যাড. আবু বকর সিদ্দিকী, হাফিজুর রহমান দুলু, আব্দুর রহিম, শরীফুজ্জামান আগা খান, রওশন আলী, দীপঙ্কর দাস রতন প্রমুখ।

শেয়ার