হরতাল ডিঙিয়ে নিত্যপণ্য পৌঁছে দেবে ট্রেন

TRAIN
সমাজের কথা ডেস্ক॥ নির্বাচন সামনে রেখে টানা হরতালের মতো রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্যে নিত্যপণ্যের সরবরাহ ঠিক রাখতে যাত্রীবাহী ট্রেনে মালবাহী ওয়াগন যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
বুধবার রেল ভবনে রেলপথ মন্ত্রী মুজিবুল হকের সভাপতিত্বে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
পাশাপাশি হরতালসহ অন্যান্য ‘নেতিবাচক’ রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্যেও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয় সভায়।
মন্ত্রী বলেন, ‘বিরাজমান পরিস্থিতিতে’ সড়ক পথে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী পরিবহনে ব্যাঘাত ঘটায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
“রেলওয়ের মাধ্যমে যাতে পণ্য সামগ্রী বিশেষ করে- কাঁচা মাল ও পচনশীল পণ্য কম খরচে ও সহজে বিভিন্ন গন্ত্যব্যে পৌঁছায়, সেজন্য যাত্রীবাহী ট্রেনের সঙ্গে এক বা একাধিক পণ্যবাহী কোচ যুক্ত করা হবে।”
এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) শাহ্ মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামকে প্রধান করে ১৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ট্রেনের মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী পরিবহণের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের বিষয়টি দেখভাল করবে এই কমিটি।
এ কারণে কমিটিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, ব্যবসায়ী সংগঠন ও রেলওয়ের প্রতিনিধিদের রাখা হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী বলেন, “দেশের জনগণের কল্যাণে রেলওয়ে বরাবরই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এবারো জনগণের কল্যাণে আমরা গুরুত্বপূর্ণ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে বলেও মন্ত্রী জানান।
অন্যদের মধ্যে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, পুলিশ মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার, কারওয়ান বাজার কাঁচা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধিরা এবং রেল কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
সমাজের কথা ডেস্ক॥ নির্বাচন সামনে রেখে টানা হরতালের মতো রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্যে নিত্যপণ্যের সরবরাহ ঠিক রাখতে যাত্রীবাহী ট্রেনে মালবাহী ওয়াগন যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
বুধবার রেল ভবনে রেলপথ মন্ত্রী মুজিবুল হকের সভাপতিত্বে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
পাশাপাশি হরতালসহ অন্যান্য ‘নেতিবাচক’ রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্যেও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয় সভায়।
মন্ত্রী বলেন, ‘বিরাজমান পরিস্থিতিতে’ সড়ক পথে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী পরিবহনে ব্যাঘাত ঘটায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
“রেলওয়ের মাধ্যমে যাতে পণ্য সামগ্রী বিশেষ করে- কাঁচা মাল ও পচনশীল পণ্য কম খরচে ও সহজে বিভিন্ন গন্ত্যব্যে পৌঁছায়, সেজন্য যাত্রীবাহী ট্রেনের সঙ্গে এক বা একাধিক পণ্যবাহী কোচ যুক্ত করা হবে।”
এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) শাহ্ মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামকে প্রধান করে ১৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ট্রেনের মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী পরিবহণের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের বিষয়টি দেখভাল করবে এই কমিটি।
এ কারণে কমিটিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, ব্যবসায়ী সংগঠন ও রেলওয়ের প্রতিনিধিদের রাখা হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী বলেন, “দেশের জনগণের কল্যাণে রেলওয়ে বরাবরই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এবারো জনগণের কল্যাণে আমরা গুরুত্বপূর্ণ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে বলেও মন্ত্রী জানান।
অন্যদের মধ্যে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, পুলিশ মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার, কারওয়ান বাজার কাঁচা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধিরা এবং রেল কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার