মহেশপুর থেকে অপহৃত সিগারেট কোম্পানির কর্মচারী শামীমের খোঁজ মেলেনি এক মাসেও

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি॥ ঢাকা ট্যোবাকো নেভি কোম্পানির এসআর শামীম হোসেনকে মহেশপুর থেকে অপহরণ করা হয়েছে। সে কোটচাঁদপুরের এড়ান্দাহ গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে। এ ব্যাপারে ওই থানায় পরিবারের পক্ষ থেকে জিডি করা হয়েছে। অপহরণের দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও তাঁর খোঁজ না পেয়ে হতাশায় ভুগছে পরিবারটি।
শামীম হোসেনের বড় ভাই মিজানুর রহমান জানান, শামীম হোসেন ঢাকা ট্যোবাকোর নেভি কোমম্পানিতে এসআর পদে মহেশপুর এলাকায় চাকরি করত। প্রতিদিনের মত ১০অক্টোবর শামীম হোসেন বেবিট্যাক্সি নিয়ে মার্কেটে সিগারেট বিক্রি করতে যায়। দিন শেষে সিগারেট বিক্রি করে মহেশপুর ফেরার সময় পোষ্ট অফিসের সামনে থেকে তাকে অপহরণ করা হয়। এ ব্যাপারে মহেশপুর থানায় জিডি করা হয়েছে। যার নম্বর-৪৩০ তাং-১৪-১০-১৩। মিজান অভিযোগ তুলেছেন, বিষটি নিয়ে বেশ কয়েক বার থানায় গেলেও থানা কর্মকর্তা কোন ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে বিভিন্ন অজুহাতে ফিরিয়ে দিয়েছেন। মিজান আরো বলেন, তাঁর ভাইয়ের ওই পদে লোক নিয়োগ দেয়ার জন্য কোম্পানির লোকজন শামীমকে অপহরণ করিয়েছে। এ ছাড়া তাঁর ভাইয়ের কাছে প্রাপ্য টাকা কোম্পানির লোকজন পেয়ে গেছে। কথা হয় ট্যাক্সি চালক শামীম হোসেনের সঙ্গে তিনি বলেন, শামীম অফিস ও মার্কেটের কিছু টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়েছে। তাকে কেউ অপহরণ করেনি। কথা হয় নেভি কোম্পানির মহেশপুর এলাকার টিও আক্তারুজ্জামানের সঙ্গে তিনি বলেন, শামীম আমার অফিস, মার্কেটসহ বেশ কিছু মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে দিতে না পারায় পালিয়েছে। তাঁকে কেউ অপহরণ করেনি। মহেশপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক আকরাম হোসেন বলেন, এ ব্যাপরে থানায় জিডি হয়েছে। এরপর তারা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। এদিকে, শামীম অপহরণের দীঘদিন পার হয়ে গেলেও তাঁর কোন হদিস না পাওয়া পরিবারটি শামীমকে মেরে ফেলার আশঙ্কা প্রকাশ করছে। এক দিকে কোম্পানির টাকার চাপ, অন্যদিকে ছেলের অপহরণ নিয়ে বে-কায়দায় পড়েছে শামীমের পরিবার। বিষয়টি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।
কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি॥ ঢাকা ট্যোবাকো নেভি কোম্পানির এসআর শামীম হোসেনকে মহেশপুর থেকে অপহরণ করা হয়েছে। সে কোটচাঁদপুরের এড়ান্দাহ গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে। এ ব্যাপারে ওই থানায় পরিবারের পক্ষ থেকে জিডি করা হয়েছে। অপহরণের দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও তাঁর খোঁজ না পেয়ে হতাশায় ভুগছে পরিবারটি।
শামীম হোসেনের বড় ভাই মিজানুর রহমান জানান, শামীম হোসেন ঢাকা ট্যোবাকোর নেভি কোমম্পানিতে এসআর পদে মহেশপুর এলাকায় চাকরি করত। প্রতিদিনের মত ১০অক্টোবর শামীম হোসেন বেবিট্যাক্সি নিয়ে মার্কেটে সিগারেট বিক্রি করতে যায়। দিন শেষে সিগারেট বিক্রি করে মহেশপুর ফেরার সময় পোষ্ট অফিসের সামনে থেকে তাকে অপহরণ করা হয়। এ ব্যাপারে মহেশপুর থানায় জিডি করা হয়েছে। যার নম্বর-৪৩০ তাং-১৪-১০-১৩। মিজান অভিযোগ তুলেছেন, বিষটি নিয়ে বেশ কয়েক বার থানায় গেলেও থানা কর্মকর্তা কোন ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে বিভিন্ন অজুহাতে ফিরিয়ে দিয়েছেন। মিজান আরো বলেন, তাঁর ভাইয়ের ওই পদে লোক নিয়োগ দেয়ার জন্য কোম্পানির লোকজন শামীমকে অপহরণ করিয়েছে। এ ছাড়া তাঁর ভাইয়ের কাছে প্রাপ্য টাকা কোম্পানির লোকজন পেয়ে গেছে। কথা হয় ট্যাক্সি চালক শামীম হোসেনের সঙ্গে তিনি বলেন, শামীম অফিস ও মার্কেটের কিছু টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়েছে। তাকে কেউ অপহরণ করেনি। কথা হয় নেভি কোম্পানির মহেশপুর এলাকার টিও আক্তারুজ্জামানের সঙ্গে তিনি বলেন, শামীম আমার অফিস, মার্কেটসহ বেশ কিছু মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে দিতে না পারায় পালিয়েছে। তাঁকে কেউ অপহরণ করেনি। মহেশপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক আকরাম হোসেন বলেন, এ ব্যাপরে থানায় জিডি হয়েছে। এরপর তারা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। এদিকে, শামীম অপহরণের দীঘদিন পার হয়ে গেলেও তাঁর কোন হদিস না পাওয়া পরিবারটি শামীমকে মেরে ফেলার আশঙ্কা প্রকাশ করছে। এক দিকে কোম্পানির টাকার চাপ, অন্যদিকে ছেলের অপহরণ নিয়ে বে-কায়দায় পড়েছে শামীমের পরিবার। বিষয়টি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।

শেয়ার