জিএসপি পেতে আশাবাদ, যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে অবস্থানপত্র

germent
বাংলানিউজ ॥
জিএসপিদর (জেনারেলাইজ সিস্টেম অব প্রেফারেন্সেস) সুবিধা ফেরত পেতে যুক্তরাষ্ট্রে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করতে অবস্থানপত্র (অগ্রগতিমূলক প্রতিবেদন) পাঠাচ্ছে সরকার। বাণিজ্যসচিব মাহবুব আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ অবস্থানপত্র জিএসপি ফেরাতে ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদী সরকার ও ব্যবসায়ীরা।
তবে বেতন নিয়ে চলমান শ্রমিক বিক্ষোভ আর অরাজকতায় জিএসপি আবারও অনিশ্চয়তায় পড়তে পারে বলেও তারা মনে করছেন।

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে মার্কিন বাণিজ্য দফতরে (ইউএসটিআর) অবস্থানপত্রটি পাঠাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এতে জিএসপির ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ১৬ শর্তের অগ্রগতি বাস্তবায়ন সম্পর্কিত সর্বশেষ তথ্য দেয়া থাকছে। এই অবস্থানপত্র বিবেচনা করে জিএসপি ফেরত পেতে সরকার আশাবাদী।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব আহমেদ বলেন, ‘এটা আমাদের প্রচেষ্টার একটা অংশ। এই অবস্থানপত্র পাঠালেই জিএসপি ফেরত আসবে তা নয়। তবে আমাদের অবস্থান পরিষ্কার হবে। আমরা জিএসপি ফেরত পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। এটি যাচাই-বাছাই করে ইতিবাচক মনে হলে জিএসপি পুনর্বহাল করতে পারে ইউএসটিআর।’
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা স্থগিতাদেশের বিষয়টি আগামী ডিসেম্বরে পর্যালোচনা করবে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য দফতর। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশের শ্রমপরিবেশ উন্নয়নে ওবামা প্রশাসন যে ১৬টি শর্ত দিয়েছে সে ব্যাপারে বাংলাদেশের অগ্রগতি নভেম্বরের মধ্যে জানতে চেয়েছে দেশটি।
২৭ জুন বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি খাতে জিএসপি সুবিধা স্থগিত করে ওবামা প্রশাসন। এর পরপরই কারখানার পরিবেশ উন্নত ও শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিতের বিষয়ে ১৬টি শর্ত দিয়ে একটি কর্মপরিকল্পনা দেয় তারা।
এর প্রেক্ষিতে বিভিন্ন সময়ে বাণিজ্যমন্ত্রী জি এম কাদের বলেন, কল-কারখানার কর্মপরিবেশসহ শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে জেনারেলাইজড সিস্টেম অব প্রিফারেন্সেস (জিএসপি) সুবিধার জন্য যুক্তরাষ্ট্র যে শর্ত দিয়েছে, তা পূরণ হবে । সরকার এ ব্যপারে আন্তরিকতার সাথে কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

শেয়ার