কালিগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণে স্কুলগুলোতে চলছে অতিরিক্ত অর্থ আদায়

কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি॥ কালিগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও শিক্ষক সমিতির যোগ-সাজগে বোর্ডের সরকারি নির্দেশ অমান্য করে উপজেলার ৩৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীরদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিভাবক ছাত্র-ছাত্রীরা চরম ভোগান্তির স্বীকার হলেও দেখার কেউ নেই। সারা বছরে সুযোগ একবার আসে বারবার আসেনা! সেইটাকে পুঁজি করে উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির মিটিংয়ে প্রধান শিক্ষকরা একাট্টা হয়ে স্ব-স্ব স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে বোডের্র নির্ধারিত ১২-১৩‘শ টাকার পরিবর্তে কোচিং বাণিজ্যের নাম করে ছাত্র-ছাত্রী প্রতি ১ থেকে দেড় হাজার টাকা বেশী আদায় করছে। আগামী ১৭নভেম্বর ফরম ফিলাপের শেষ তারিখ হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা টাকা আদায়ের জন্য জোর চাপ প্রয়োগ করে চলেছে। কোন বিষয়ে অকৃতকার্য হলে তার জন্য ছাত্র-ছাত্রী প্রতি অতিরিক্ত ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা না দিলে পরীক্ষা দিতে দেয়া হবে না, হুমকি দিচ্ছে বলে একাধিক পরীক্ষার্থী জানান। সরেজমিনে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অফিস ও বিভিন্ন স্কুল ঘুরে প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে আলাপ করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে অতিরিক্ত অর্থ বাণিজ্যের বিষয়টি উপজেলা ম্যাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান কিছুই জানেন না বলে এ প্রতিনিধিকে জানান। বোডের্র নির্দেশ এবং বোর্ড নির্ধারিত শিক্ষার্থী প্রতি কত টাকা নিতে হবে এ প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেন আমি কোন চিঠি পাইনি এব্যাপারে আমাকে জিজ্ঞাসা না করে স্ব-স্ব স্কুলে যেয়ে খোঁজ নেওয়ার পরামর্শ দেন। অভিভাবক আব্দুল করিম, সাদিকুর রহমান রবিউল ইসলাম আলি আকবার, মাহামুদ আলী, হায়াত আলী, সেলিম, শামীম, দেলোয়ার হোসেন, লূৎফার রহমানসহ একাধিক অভিভাবকের অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলার বিভিন্ন স্কুলে গেলে কালিগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওয়াজেদ আলী, কালিগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রবিন্দ্র বাছাড়, ধুলিয়াপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অজিত কুমার, শ্রীকলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনন্দ কুমার, মোজাহার মেমোরিয়াল হাইস্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোসলেম আলী, ভাড়াশিমলার কারবালা স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শিবপদ সরকার, নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোনায়েম হোসেন, মৌতলা স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি সনৎ কুমার সরকার এবং রতনপুর পিডিকে স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের সাথে আলাপ করলে তারা বলেন, সমিতির মিটিংয়ের সীদ্ধান্ত মোতাবেক সকল স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে ২৩৫০ টাকা এবং মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে ২২৫০ টাকা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। সেই মোতাবেক আমরা আদায় করছি। গরীব ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে ১৪ থেকে ১৮‘শ টাকা নেওয়া হচ্ছে। বোর্ড নির্ধারিত ফি কত সে প্রশ্নের জবাব সাংবাদিকদের কাছে বলতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন কোচিংয়ের জন্য কিছু টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে তবে স্কুলের বিষয় নিয়ে পত্রিকায় না লেখার জন্য অনুরোধ করেন। তারা বলেন, স্কুল প্রতি একটি বড় অংকের টাকা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান ও প্রতিষ্ঠান সভাপতিদের দিতে হয় সেটা আপনারাও ভাল-ভাবে জানেন।
সূত্র মতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড যশোর ২০১৪ সালের এসএসসি পরীক্ষা সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি গত ১৮/৯/১৩ ইং তারিখে পনি/মাধ্য/৬৩/৭২৭ নং স্বারকে পরিস্কারভাবে উল্লেখ আছে পরীক্ষার ফি বাবদ প্রতিপত্র ৬৫ টাকা, ব্যবহারিক ফি প্রতিপত্র ৩০ টাকা, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ফি প্রতি পরীক্ষার্থী ৩৫ টাকা, মূল সনদপত্র ফি প্রতি পরীক্ষার্থী ১০০ টাকা, বয় স্কউট/গার্লস গাইড প্রতি পরীক্ষার্থী ১৫ টাকা জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ফি প্রতি পরীক্ষার্থী ৫ টাকা,কেন্দ্র ফি ব্যবহারিক ২৫০ টাকা,এবং ব্যবহারিক ছাড়া পরীক্ষার্থী প্রতি ২০০ টাকা। সব মিলিয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষার্থী প্রতি ১২৯৫ এবং ব্যবহারিক ছাড়া পরীক্ষার্থী প্রতি ১১৯৫ টাকা ছাড়া বিজ্ঞপ্তির ২ নং ক্রমিকে উল্লেখ আছে কোন অবস্থাতেই নির্ধারিত ফিসের অতিরিক্ত গ্রহণ করা যাবেনা। কিন্তু নির্দেশ উপেক্ষা করে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে উপজেলার সকল স্কুলের শিক্ষকরা ১ থেকে দেড় হাজার টাকা অতিরিক্ত আদায় করে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য করে চলেছে। বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বদলী হওয়ায় এবং দেশের সংকট-ময় সময়কে পুঁজি করে এ বাণিজ্য করছে বলে একাধিক সূত্রে জানা যায়। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিভাবকগণ ও উপজেলাবাসী।
কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি॥ কালিগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও শিক্ষক সমিতির যোগ-সাজগে বোর্ডের সরকারি নির্দেশ অমান্য করে উপজেলার ৩৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীরদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিভাবক ছাত্র-ছাত্রীরা চরম ভোগান্তির স্বীকার হলেও দেখার কেউ নেই। সারা বছরে সুযোগ একবার আসে বারবার আসেনা! সেইটাকে পুঁজি করে উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির মিটিংয়ে প্রধান শিক্ষকরা একাট্টা হয়ে স্ব-স্ব স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে বোডের্র নির্ধারিত ১২-১৩‘শ টাকার পরিবর্তে কোচিং বাণিজ্যের নাম করে ছাত্র-ছাত্রী প্রতি ১ থেকে দেড় হাজার টাকা বেশী আদায় করছে। আগামী ১৭নভেম্বর ফরম ফিলাপের শেষ তারিখ হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা টাকা আদায়ের জন্য জোর চাপ প্রয়োগ করে চলেছে। কোন বিষয়ে অকৃতকার্য হলে তার জন্য ছাত্র-ছাত্রী প্রতি অতিরিক্ত ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা না দিলে পরীক্ষা দিতে দেয়া হবে না, হুমকি দিচ্ছে বলে একাধিক পরীক্ষার্থী জানান। সরেজমিনে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অফিস ও বিভিন্ন স্কুল ঘুরে প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে আলাপ করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে অতিরিক্ত অর্থ বাণিজ্যের বিষয়টি উপজেলা ম্যাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান কিছুই জানেন না বলে এ প্রতিনিধিকে জানান। বোডের্র নির্দেশ এবং বোর্ড নির্ধারিত শিক্ষার্থী প্রতি কত টাকা নিতে হবে এ প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেন আমি কোন চিঠি পাইনি এব্যাপারে আমাকে জিজ্ঞাসা না করে স্ব-স্ব স্কুলে যেয়ে খোঁজ নেওয়ার পরামর্শ দেন। অভিভাবক আব্দুল করিম, সাদিকুর রহমান রবিউল ইসলাম আলি আকবার, মাহামুদ আলী, হায়াত আলী, সেলিম, শামীম, দেলোয়ার হোসেন, লূৎফার রহমানসহ একাধিক অভিভাবকের অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলার বিভিন্ন স্কুলে গেলে কালিগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওয়াজেদ আলী, কালিগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রবিন্দ্র বাছাড়, ধুলিয়াপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অজিত কুমার, শ্রীকলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনন্দ কুমার, মোজাহার মেমোরিয়াল হাইস্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোসলেম আলী, ভাড়াশিমলার কারবালা স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শিবপদ সরকার, নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোনায়েম হোসেন, মৌতলা স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি সনৎ কুমার সরকার এবং রতনপুর পিডিকে স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের সাথে আলাপ করলে তারা বলেন, সমিতির মিটিংয়ের সীদ্ধান্ত মোতাবেক সকল স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে ২৩৫০ টাকা এবং মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে ২২৫০ টাকা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। সেই মোতাবেক আমরা আদায় করছি। গরীব ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে ১৪ থেকে ১৮‘শ টাকা নেওয়া হচ্ছে। বোর্ড নির্ধারিত ফি কত সে প্রশ্নের জবাব সাংবাদিকদের কাছে বলতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন কোচিংয়ের জন্য কিছু টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে তবে স্কুলের বিষয় নিয়ে পত্রিকায় না লেখার জন্য অনুরোধ করেন। তারা বলেন, স্কুল প্রতি একটি বড় অংকের টাকা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান ও প্রতিষ্ঠান সভাপতিদের দিতে হয় সেটা আপনারাও ভাল-ভাবে জানেন।
সূত্র মতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড যশোর ২০১৪ সালের এসএসসি পরীক্ষা সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি গত ১৮/৯/১৩ ইং তারিখে পনি/মাধ্য/৬৩/৭২৭ নং স্বারকে পরিস্কারভাবে উল্লেখ আছে পরীক্ষার ফি বাবদ প্রতিপত্র ৬৫ টাকা, ব্যবহারিক ফি প্রতিপত্র ৩০ টাকা, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ফি প্রতি পরীক্ষার্থী ৩৫ টাকা, মূল সনদপত্র ফি প্রতি পরীক্ষার্থী ১০০ টাকা, বয় স্কউট/গার্লস গাইড প্রতি পরীক্ষার্থী ১৫ টাকা জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ফি প্রতি পরীক্ষার্থী ৫ টাকা,কেন্দ্র ফি ব্যবহারিক ২৫০ টাকা,এবং ব্যবহারিক ছাড়া পরীক্ষার্থী প্রতি ২০০ টাকা। সব মিলিয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষার্থী প্রতি ১২৯৫ এবং ব্যবহারিক ছাড়া পরীক্ষার্থী প্রতি ১১৯৫ টাকা ছাড়া বিজ্ঞপ্তির ২ নং ক্রমিকে উল্লেখ আছে কোন অবস্থাতেই নির্ধারিত ফিসের অতিরিক্ত গ্রহণ করা যাবেনা। কিন্তু নির্দেশ উপেক্ষা করে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে উপজেলার সকল স্কুলের শিক্ষকরা ১ থেকে দেড় হাজার টাকা অতিরিক্ত আদায় করে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য করে চলেছে। বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বদলী হওয়ায় এবং দেশের সংকট-ময় সময়কে পুঁজি করে এ বাণিজ্য করছে বলে একাধিক সূত্রে জানা যায়। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিভাবকগণ ও উপজেলাবাসী।

শেয়ার