‘এটা সন্ত্রাস-মার্ডার’

joy
সমাজের কথা ডেস্ক॥ হরতালে যাত্রীবাহী গাড়িতে অগ্নিসংযোগে মানুষের প্রাণহানিকে হত্যাকাণ্ড বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।
রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে যারা এ ধরনের সন্ত্রাস চালায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বুধবার গণভবনে আইনজীবীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় জয় বলেন, পেট্রোল দিয়ে গাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে মানুষ পোড়ানো হত্যাকাণ্ড।
“এটা প্রথমবার দেখছি। একে কোনো কারণেই রাজনৈতিক আন্দোলন বলা যাবে না। এটা সন্ত্রাস-মার্ডার।”
অগ্নিসংযোগকারীদের পাশাপাশি তাদের হুকুম ও অর্থদাতাদেরও কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত বলে মনে করেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী জয়।
তিনি বলেন, “বিরোধী দল প্রতিবাদের নামে সন্ত্রাস করছে। বিএনপি সন্ত্রাসের দল। এদের ঠেকাতে আইনের কঠোর ব্যবহার করতে হবে এবং এটা আমরা করবই।”
“বিএনপি-জামায়াতকে আমি রাজনৈতিক দল মনে করি না,” বলেন তিনি।
সাম্প্রতিক সময়ে বিরোধী দলের হরতালে গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও পেট্রোল বোমায় বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রতিবন্ধী, স্কুলছাত্র, নারী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও বয়সের মানুষ রয়েছেন।
চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আইনজীবী না হয়েও অনেকে আইনের বিভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন বলে মন্তব্য করেন জয়।
তিনি বলেন, “যারা আইনজীবী নন তারা আইনগত পরিস্থিতি নিয়ে মিথ্যা মতামত দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেন। তাদের উদ্দেশ্য মানুষকে ভুল বুঝিয়ে ক্ষমতায় আসা। এই মিথ্যা অপপ্রচার বন্ধে আইনজীবীদের ভূমিকা রাখতে হবে।”
আগামী জাতীয় নির্বাচন সময় মতোই হবে উল্লেখ করে জয় বলেন, নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নির্বাচন কমিশন সেনাবাহিনী মোতায়ন করবে।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে জয় বলেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হবে। এজন্য আওয়ামী লীগকে আরেকবার সরকারে দরকার।
একজন আইনজীবীর প্রশ্নের জবাবে জয় বলেন, “রাজনীতি করে নেতা হব-এ উদ্দেশ্য নিয়ে দেশে আসিনি। দেশে এসেছি দলের জন্য এবং দেশের জন্য কাজ করতে। অসমাপ্ত বিপ্লবকে সফল করার জন্য এসেছি।”

শেয়ার