মণিরামপুর ৫ গ্রামের ৩শ’ পরিবার পানিবন্দি খোলা আকাশের নিচে পাঠদান

monirampur
নেহালপুর (মণিরামপুর) প্রতিনিধি॥ মণিরামপুর উপজেলার পাঁচটি গ্রামের তিনশ’ পরিবার মাসাধিককাল পানিবন্দি। নিষ্কাশনের ব্যবস্থানা না থাকায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ঐ অঞ্চল। খোলা আকাশের নিচে কোমল মতি ছোট ছোট শিশুরা শিক্ষা গ্রহণ করছে।
সরেজমিন রোববার ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়নের ঝিরাডাঙ্গা, হরিণা, ভাটবিলা, আসননগর ও কুশখালি গ্রামের প্রায় তিন শতাধিক পরিবার মাসাধিক কাল পানিবন্দি রয়েছে। বাড়ির উঠানে হাঁটু পানি। এলাকার বিদ্যালয়ের মাঠে ও শ্রেণী কক্ষে পানি থাকায় কোমল মতি শিশুরা পার্শ্ববর্তী উচুঁ খোলা আকাশের নিচে পাঠ গ্রহণ করছে। ১৯৬৭ সালে স্থাপিত দূর্বাডাঙ্গা পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেয়ে দেখা যায় অপেক্ষাকৃত একটু উচুঁ স্থানে কোমল মতি শিশুরা খোলা আকাশের নিচে পড়াশোনা করছে। পাঠদানে সমস্যা হওয়ায় বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হারও কমেগেছে। বিদ্যালয় থেকে প্রায় ১ কিঃমিঃ দুরে খোলা আকাশের নিচে পাঠদান করতে বাধ্য হচ্ছেন শিক্ষকরা। পানিতে বিষধর সাপ ও অন্যান্য কীটপতঙ্গের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। পানিবাহিত রোগসহ হাতে পায়ে ঘাঁ দেখা দিয়েছে। গ্রামের ভিতর এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ছোট নৌকায় চলা চল করছে মানুষ। স্থানী সাংবাদিক সানোয়ার হোসেন তিতু জানান, নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় এলাকার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। প্রধান শিক্ষিকা কমলা রানী রায় জানান, বৃষ্টি হলেই বিদ্যালয়ের মাঠে পানিতে তলিয়ে যায়। কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। স্থানীয় দূর্বাডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, পানি নিষ্কাশন ছাড়া বিকল্প উপায় নেই। তার দাবি এলাকাটি বন্যা দুর্গত হিসেবে ঘোষণা করা হোক।

শেয়ার