দাকোপে বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেল ফাতেমা ॥ পিতা ও খালুকে কারাদণ্ড

দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি॥ খুলনার দাকোপে বাল্য বিবাহ থেকে রা পেয়েছে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী ফাতেমা খাতুন(১২)। স্থানীয় জনগনের সহয়তায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে এ বিয়ে বন্ধ হয়। ঘটনাটি ঘটেছে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পানখালী ইউনিয়নের খাটাইল এলাকায়। ঘটনার সাথে জড়িত শিশুকন্যার পিতা ও সহযোগী খালুকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় উপজেলার খাটাইল এলাকার রফিকুল ইসলামের কন্যা ফাতেমা খাতুন(১২) এর সাথে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একই এলাকার সাহেব আলী শেখের ছেলে মিঠু শেখের বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা অফিসার ইনচার্জ শিকদার আক্কাজ আলী বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল হালিম‘র সাথে কথা বললে তিনি ঘটনাস্থলে দ্রুত পুলিশ পাঠিয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। এরপর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে বর প পালিয়ে যেতে সম হয়। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বাল্য বিবাহ দেওয়ার অপরাধে মেয়ের, পিতা রফিকুল ইসলাস ও তার খালু শাহাবুদ্দিনকে আটক করে। আটককৃতদের ওই দিন রাতে ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করলে নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল হালিম বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন ১৯২৯ এর ৫ ও ৬ ধারা মোতাবেক তাদেরকে এক ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে। এ সময় ফাতেমাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু বর পরে কাউকে গ্রেফতার না করায় এলাকায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

শেয়ার