পাকিস্তানকে পেছনে ফেলল দ. আফ্রিকা

pakistan
বাংলানিউজ॥ তৃতীয় ওয়ানডেতেও ব্যাটিং দুর্দশা কাটিয়ে উঠতে পারল না পাকিস্তান। বুধবার আবুধাবিতে দক্ষিণ আফ্রিকার ছুঁড়ে দেওয়া ২৬০ রানের লক্ষ্যে নেমে ১৯১ রানে গুটিয়ে গেছে তারা। ৬৮ রানে জিতে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-১ এ এগিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা।

টস জিতে এদিন ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। উদ্বোধনী জুটিতে ফিরেছিলেন হাশিম আমলা, অসুস্থতা নিয়ে গ্রায়েম স্মিথ বাইরে থাকায় নেমেছিলেন কুইন্টন ডি কক। মোহাম্মদ ইরফানের কাছে আমলা (১০) বোল্ড হলে মাত্র ২০ রানে এই জুটি ভাঙে।
তবে ফাফ ডু প্লেসিসের সঙ্গে ৭৭ রানের সেরা জুটি গড়েন ডি কক। শহীদ আফ্রিদির শিকার হয়ে ৪০ রানে মাঠ ছাড়েন এই ওপেনার। সপ্তম ওয়ানডে ফিফটি হাঁকানো ডু প্লেসিস ৫৫ রানে আফ্রিদির দ্বিতীয় শিকার হন।
তিনজন ব্যাটসম্যান সাজঘরে ফিরলেও অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্স ও জেপি ডুমিনির ৭০ রানের দ্বিতীয় সেরা জুটিতে শক্ত অবস্থানে থেকে শেষ করে প্রোটিয়ারা। ৩৪ রানে ভিলিয়ার্সকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন সাঈদ আজমল। ইনিংস সেরা ৬৪ রানে সোহেল তানভিরের শিকার হন ডুমিনি, এটি ক্যারিয়ারের ১৭তম ফিফটি।
এরপর ডেভিড মিলার (৩৪) ছাড়া আর কোনো ব্যাটসম্যান বড় অবদান রাখেননি।
ইরফান তিনটি উইকেট নেন। দুটি করে পান আজমল ও আফ্রিদি।
৫০ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়ে লক্ষ্য তাড়া করার ভালো ইঙ্গিত দিয়েছিল পাকিস্তান। ব্যক্তিগত ৩২ রানে আহমেদ শেহজাদকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন প্রোটিয়া পেসার ডেল স্টেইন। প্রতিপক্ষের বোলারদের সামলাতে গিয়ে এরপর রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়েছে পাকিস্তানকে। জন্মসূত্রে দক্ষিণ আফ্রিকার পাকিস্তানি স্পিনার ইমরান তাহির এদিনও তার ঘূর্ণি জাদু দেখালেন।
অবশ্য ১১৬ রানে সাত উইকেট হারানো পাকিস্তানের হারের ব্যবধানটা কমাতে সহায়তা করেছে ওয়াহাব রিয়াজ ও সোহেল তানভিরের অষ্টম জুটি। ৬১ রানের সেরা সংগ্রহ করেন তারা দুজনে। ওয়াহাব ৩৩ ও তানভির ৩১ রানে আউট হন।
তাহির চারটি উইকেট নেন। দুটি করে পান মরনে মরকেল ও রায়ান ম্যাকলারেন।
ম্যাচসেরা হয়েছেন ডু প্লেসিস।

শেয়ার