নির্বাচন করতে পারবে না জামায়াত

Ecommithon
সমাজের কথা ডেস্ক॥ নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ বলেছেন, আদালতের আদেশেই জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল হয়ে গেছে।
ফলে একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী দলটি আগামী দশম সংসদ নির্বাচনে আর অংশ নিতে পারছে না।
জামায়াতের বিষয়ে আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পাওয়ার একদিন পর বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এ কথা বলেন শাহনেওয়াজ।
হাই কোর্ট গত ১ অগাস্ট জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করার পর এই প্রথম একজন নির্বাচন কমিশনার আনুষ্ঠানিকভাবে এ কথা বললেন।
শাহনেওয়াজ বলেন, “এখন আর জামায়াতের নিবন্ধন নেই। আদালতের আদেশের পরই দলটির নিবন্ধন বাতিল হয়ে গেছে। আপাতত দলটি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না।”
আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতকে নিবন্ধন বাতিলের বিষয়ে কোনো কিছু জানাতে হবে না বলেও জানান তিনি।
“১ অগাস্ট রায় ঘোষণার পর জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণার কথা ইসির ওয়েবসাইটে দেয়া হয়েছে। এটাই আনুষ্ঠানিকতা, এটাই নোটিশ। আলাদা করে কিছু দেয়ার নেই। আদালতের শুনানিতে জামায়াতও অংশ নিয়েছে, তারা রায় তখনই জেনে গেছে।”
শনিবার ১৫৮ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর তার অনুলিপি বুধবার ইসিতে আসে।
রায় বাস্তবায়নের পদক্ষেপ জানতে চাইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ সে সময় সাংবাদিকদের বলেন, “রায় বেশ মোটা। এখনো দেখতে পারিনি। দেখতে হবে, দেখেই সিদ্ধান্ত নেব।”
রায় পর‌্যবেক্ষণ করে ইসি কী সিদ্ধান্ত নেবে জানতে চাইলে শাহনেওয়াজ বৃহস্পতিবার বলেন, “অলরেডি নিবন্ধন বাতিল করেছে আদালত। এরপরও আমাদের কোনো করণীয় আছে কি না বা আদালতের কোনো অবজারভেশন রয়েছে কিনা- তা দেখব আমরা।”
২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতকে নিবন্ধন দেয় ইসি। সংবিধানের সঙ্গে দলীয় গঠনতন্ত্র সাংঘর্ষিক হলেও তা সংশোধন করার শর্তসাপেক্ষে দলটি নিবন্ধন পায়।

শেয়ার