হরতালে বেনাপোল স্থল বন্দরে তীব্র পণ্য ও যানজট

BENAPOLE
বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি॥ হরতালের কারনে দেশের অভ্যন্তরে আমদানি-রফতানি পণ্যের পরিবহন বন্ধ থাকায় বেনাপোল বন্দরে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র পণ্য ওযানজট। বন্দরে স্থান সংকটে ওপারের পন্য নামানো প্রায় বন্ধ। ফলে লোকসান গুনতে হচ্ছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে।
বেনাপোল চেকপোষ্ট কাষ্টম কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা ইদ্রিস আলি জানান, হরতালের প্রথমদিন সোমবার রপ্তানি পণ্য নিয়ে ভারত থেকে বেনাপোলে এসেছে ২৪৫ ট্রাক ও ৫৭টি গাড়ির চেসিজ আর বাংলাদেশ থেকে পেট্রাপোল গেছে ১৬২ ট্রাক। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি পন্যবাহী ৫৭ট্রাক ওপারে গেছে আর আমদানি পন্য নিয়ে এপারে এসেছে ৪৩টি ট্রাক।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) তোফাজ্জেল হোসেন বলেন,বেনাপোল স্থলবন্দরে পণ্য ধারণক্ষমতা৩৮ হাজার মেট্রিক টন। হরতালে পণ্য খালাস না হওয়ায় তা বেড়ে ৬০হাজার মেট্রিকটনে দাড়িয়েছে। এইকারণে বন্দরের ৩৬টি গুদাম, ৫টি ইয়ার্ড, একটি ট্রান্সশিপমেন্ট এবং ৩টি টার্মিনালে কোথাও কোনো জায়গা নেই। হরতালের শেষ দিন বুধবার পন্য খালাস হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় বন্দর এলাকায় পণ্যজট কমে যাওয়ার আশা করছেন বন্দর পরিচালক তোফাজ্জেল হোসেন।
বেনাপোল কাষ্টমস ক্লিয়ারিং ফরোয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য আলীকদরও সাগর জানান, হরতালে ভারত থেকে পণ্য আমদানি হলেও খালাস প্রক্রিয়া বন্ধ থাকে। ওই সময় বন্দর থেকে কোনো ধরণের পণ্য পরিবহন না হওয়ায় ভারত থেকে বিভিন্ন আমদানিকৃত পণ্য বন্দর এলাকা ভরে যাচ্ছে। এতে বন্দর এলাকায় সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে শতশত পণ্যবাহি ট্রাক। রাজ্স্ব প্রাপ্তি হচ্ছে বাধাগ্রস্ত। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান।
আজ বুধবার সকাল থেকে ব্যবসায়ীরা তাদের পণ্য খালাস নিতে শুরু করবেন বলে তিনি ্আশা করছেন।এই বন্দরে দৈনিক গড়ে সাড়ে নয় কোটি টাকা করে রাজস্ব আদায় হয়ে থাকে। ক্ষতি পুসিয়ে নিতে হরতালের শেষ দিন বুধবার শুল্ক বিভাগের সকল কর্মকর্তাকে শুল্কায়নের কাজ অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

শেয়ার