যশোর ছাত্রদল শিবিরের হাতে অস্ত্র ও বোমা, হরতালে নাশকতা সৃষ্টির আশঙ্কা

jamait
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোরে ছাত্রদল ও শিবির ক্যাডারের হাতে ভারি অস্ত্র ও বোমা রয়েছে। হরতালের দিনে ওই সব গুন্ডা পান্ডা তা নিয়ে মাঠে নামলেও পুলিশ ধরছে না। এছাড়া বিএনপির মোস্ট ওয়ারেন্ট চিহি“ত সন্ত্রাসীরা আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকায় আসছে। হরতালের দিন তারা প্রকাশ্যে আসছে এতে শহরবাসী আতংকিত হয়ে পড়েছে। তবে দলের এসব ক্যাডারদের রক্ষা পুলিশের দৃষ্টি এড়াতে বিএনপির মুখপত্র দৈনিক লোকসমাজ কৌশল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিয়ে মনগড়া রিপোর্ট প্রকাশ করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সন্ত্রাসী, মাস্তান ও চিহ্নিত চাঁদাবাজ নিয়ে এবার গঠিত হয়েছে যশোর জেলা ছাত্রদল। এমনিতেই তাদের গুণ্ডামিতে ভীত সাধারণ মানুষ। তার সাথে শিবির ক্যাডাররা যোগ দিয়েছে। তারা অস্ত্র নিয়ে রাস্তায় নামছে। গাড়ি ভাংচুর করছে। গত ২৭, ২৮ ও ২৯ অক্টোবর হরতালের চিত্র দেখলে সেটাই প্রমাণ করে। তারা ২৭ অক্টোবর হরতালে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদারকে লক্ষ্য করে বোমা হামলা ও গুলি বর্ষণ করে। এদিন রূপদিয়া বাজারে সাংবাদিক লাবুয়াল হক রিপনকে মারপিট করে মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ ও মণিরামপুরে ৮ পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় পিকআপে। এছাড়া সদরের বারীনগর বাজারে আওয়ামী লীগ নেতা শাহাজানকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। শুধু তাই নয় এদের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না দলের সাধারণ নেতাকর্মীরাও। ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এমএম) কলেজ ক্যাম্পাসে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের দুইপরে মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এ সময় বহিরাগত সন্ত্রাসী শঙ্করপুর এলাকার কবির প্রকাশ্যে পিস্তল উঁচিয়ে গুলি করে। তাকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। অথচ বিএনপির মুখপত্র লোকসমাজে জেলা ছাত্রলীগকে দোষী বলে ছাত্রদলের ওই সব মূর্তিমান আতংকদের রক্ষা করার চেষ্ঠা করা হচ্ছে। অপরদিকে, বেশকিছু দিন আগে শহরের রেলগেট এলাকার আশরাফুল ফেরদৌস সুমনের কাছ থেকে একটি ল্যাপটপ নিয়ে হজম করে যশোর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক শরিফুল ইসলাম হ্যাট্রিক। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় জিডিও হয়। কিন্তু অবাক হওয়ার বিষয় হলো সেসময় ল্যাপটপ আত্মসাতের জিডির কপি কোতোয়ালি থানার উপ-সহকারী পরিদর্শক (এএসআই) ইসহাকের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় হ্যাট্রিক। পুলিশ তার বাড়িতে গেলে সে এ কাজ করে। লোকসমাজের প্রতিবেদনে এসব নিয়ে এক লাইন রিপোর্ট লেখা না হলেও আওয়ামী লীগকে ঢালাওভাবে দোষারোপ করে রোববার উদ্দেশ্যমূলক রিপোর্ট লেখা হয়েছে। যে কারণে শহরময় সমালোচনা হয়।

শেয়ার