ফেসবুকে প্রেম, অতঃপর বিয়ে তরুনীসহ শ্বশুর-দেবর পুলিশের খাঁচায় বন্দি

Facebook
লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি॥ ফেসবুকে প্রেম,অতঃপর বিয়ে করে বিপাকে পড়েছেন এক তরুনী গৃহবধূ ও তার শ্বশুর এবং দেবর। ওই তরুনীসহ তার শ্বশুর ও দেবর এখন পুলিশের খাঁচায় বন্দি। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার পাঁচুড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে । সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, লোহাগড়া উপজেলার পাঁচুড়িয়া গ্রামের কেরামত শেখের ছেলে জামিল হোসেন(৩২) এর সাথে ঝালকাঠি জেলার নলছিটি থানার পাওতা গ্রামের হুমায়ূন কবির খানের মেয়ে ফারজানা আফরোজের (১৯) ফেসবুকের(সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম) মাধ্যমে বছর খানেক আগে প্রেমজ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমের সূত্র ধরে তারা চলতি বছর ২৬জুন ঢাকা জজ কোর্টে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে এবং একই তারিখে ঢাকার কোতয়ালী থানায় মোঃ সাদেক উল্লাহ ভুঁইয়া বিবাহ রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে বিয়ে করেন। জামিল হোসেন সৌদি আরব প্রবাসী । প্রতিবছরই বাড়িতে আসেন আবার চলে যান। বর্তমানেও সৌদি আরব অবস্থান করছেন। কণে (তরুনী) ফারজানা আফরোজ ঢাকার বদরুন্নেছা মহিলা কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। বিয়ের পর ফারজানার বাবা তিন বার জামাই বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন বলে জামিল ফোনে জানান। হঠাৎ করেই ফারজানার বাবা হুমায়ূন কবির মত পরিবর্তন করেন এবং ঝিনাইদহ থানায় বেয়াই কেরামত শেখসহ মেয়ে ফারজানা ও ফারজানার দেবর শেখ মারুফুজ্জামানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। লোহাগড়া থানা পুলিশ শুক্রবার রাতে পাঁচুড়িয়া গ্রামে ফারজানার শ্বশুর বাড়ি থেকে ফারজানা ও তার শ্বশুর এবং দেবর কে আটক করে থানায় নিয়ে আসে । লোহাগড়া থানার ওসি মোঃ আলমঙ্গীর হোসেন গতকাল রাতে জানান, ঝিনাইদহ থানার জরুরি বার্তা পেয়ে তাদের আটক করেছি। যেহেতু ওই থানায় তাদের বিরুদ্ধে চুরি ও অপহরণ মামলা করেছে মেয়ের বাবা হুমায়ূন কবির তাই ঝিনাইদহ থানা পুলিশ এসে আসামি নিয়ে যাবে । উল্লেখ্য, হুমায়ূন কবির ব্যবসার সুবাদে ঝিনাইদহে বসবাস করেন। হুমায়ূন কবিরের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।

শেয়ার