সন্ত্রাসী হামলায় আহত আ.লীগ নেতা নজরুল ইসলামের মৃত্যু

janaja1
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোরে শীর্ষ সন্ত্রাসী ফিঙে লিটন বাহিনীর বোমা হামলা ও গুলিবর্ষণে গুরুতর আহত পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও যশোর পুরাতন টায়ার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম (৫২) মারা গেছেন। মঙ্গলবার রাতে গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলার শিকার নজরুল চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকালে মারা যান। এর একমাস আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বরও তাকে গুলি করে শীর্ষ সন্ত্রাসী ফিঙে লিটন বাহিনীর ক্যাডাররা। এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বুধবার সড়ক অবরোধসহ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। পুলিশ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জনকে আটক ও অস্ত্র, গুলি, বোমা উদ্ধার করেছে। এদিকে নজরুল হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শেষবারের মতো নিহতের কফিন জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে আনা হলে দলের সাধারণ সম্পাদক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদারসহ নেতৃবৃন্দ তাদের প্রিয়নেতার কফিনে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
প্রত্যদর্শীরা জানান, আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা রোড তালতলা এলাকায় তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় ভারতে পালিয়ে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসী ফিঙে লিটন বাহিনীর ক্যাডার নান্নু ও ডিম রিপনের নেতৃত্বে ৮/১০ জন সন্ত্রাসী তার প্রতিষ্ঠানে ঢুকে প্রথমে বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এরপর তাকে ল্য করে ৩/৪ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। এর কয়েকটি তার শরীরে বিদ্ধ হয়। গুলি করে সন্ত্রাসীরা আরও দু’টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে চলে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এখানে প্রায় ৩ ঘণ্টা চিকিৎসা সেবা দেয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খুলনায় নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক জানান, নজরুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে অস্ত্র, গুলি, বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার ভোর থেকে দুুপুর পর্যন্ত শহরের বারান্দী মোল্লাপাড়া, ঢাকা রোড, সিটি কলেজপাড়াসহ আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে এদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো শহরের বারান্দী মোল্লাপাড়া এলাকার সিরাজ মিয়ার ছেলে রনি, রবিউল ইসলামের ছেলে হৃদয় , দিপু বিশ্বাসের ছেলে সুমন, আব্দুর রহমানের ছেলে মেহেদি হাসান, খালধার রোড এলাকার জামির হোসেনের ছেলে সাজ্জাদ ও নীলগঞ্জ এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে মহসিন। অভিযানকালে পুলিশ এদের আটক ছাড়াও ১টি ওয়ানশুটার গান, ১ রাউন্ড গুলি, ৩টি তাজা বোমা, আধাকেজি গান পাউডার, ২কেজি জালের কাঠি, ৪টি খালি জর্দার কৌটা উদ্ধার করে।
এদিকে, নজরুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন ঢাকা রোড তালতলা এলাকার ব্যবসায়ীসহ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে বুধবার যশোর-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে তারা। সকাল ১০টা থেকে ১২ পর্যন্ত প্রায় দু’ঘণ্টা এ অবরোধে যশোর-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে মঙ্গলবার রাতেই হামলার প্রতিবাদে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করেন। বুধবার সকালে ঢাকা রোড তালতলা ও মনিহার চত্বর এলাকার ব্যবসায়ীরা তাদের দোকানপাট বন্ধ করে দেন। এরপর তারা যশোর-খুলনা মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। প্রায় দু’ঘণ্টা অবরোধ শেষে প্রতিবাদ সমাবেশে যশোর পুরাতন টায়ার ব্যবসায়ী সমিতির সহ সভাপতি কাওসার আহমেদের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম মিন্টু, রণজিৎ কুমার পাল, নজরুল ইসলাম, আব্দুর রউফ, মোহাম্মদ সেলিম প্রমুখ।
অপরদিকে, নিহতের লাশ যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের সদস্যদের হাতে হস্তান্তর করা হয়। দুপুরে যশোর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে নামাজে জানাজা শেষে লাশ মরহুমের গ্রামের বাড়ি ঢাকার বিক্রমপুরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২৯ সেপ্টেম্বরও আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম (৫২) ও পরিবহণ শ্রমিক রিপনকে গুলি করে ফিঙে লিটন বাহিনীর সদস্যরা। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সুস্থ হয়ে নজরুল ইসলাম ফিঙে লিটন বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত তুলে ধরেন। ওই হামলার একমাস পর দ্বিতীয় দফা হামলায় প্রাণ দিলেন নজরুল ইসলাম।
অপরদিকে, নিহতের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে জেলা আওয়ামী লীগ, জেলা যুবলীগ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ ও যুবমহিলা লীগ, জাতীয় মহিলা সংস্থার জেলা শাখা, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ, জেলা ছাত্রলীগ, জেলা শ্রমিকলীগ, এক নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, সদর উপজেলা যুবলীগ, বাংলাদেশ পরিবহন সংস্থা শ্রমিক সমিতি, পুরাতন টায়ার ব্যবসায়ী সমিতি, মোটরপার্টস ব্যবসায়ী সমিতি প্রমুখ সংগঠন। জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আলী রায়হান, সিনিয়র সদস্য হায়দার গণি খান পলাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মীর জহুরুল ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক খয়রাত হোসেন, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল খালেক, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাড. আসাদুজ্জামান আসাদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কাদের, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান মুকুল, উপ প্রচার সম্পাদক ফারুক আহম্মেদ কচি, সদস্য রেজাউল ইসলাম রেজা, ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক খায়রুজ্জামান খসরু, শহর শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন সিদ্দিকী, সদর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক শাহারুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের সহসভাপতি মুনির হোসেন টগর, প্রচার সম্পাদক জাহিদ হোসেন মিলন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক এহসানুল হক লিটু, জেলা মহিলা লীগের সভাপতি নুর জাহান ইসলাম নিরা, মহিলা সংস্থার জেলা চেয়ারম্যান লাইজু জামান, জেলা যুবমহিলা লীগের সভাপতি মঞ্জুন্নাহার নাজনীন সোনালী, সাধারণ সম্পাদক শেখ রোকেয়া পারভীন ডলি, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম মাহমুদ হাসান বিপু ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জুয়েল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফুল ইসলাম রিয়াদ, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুল, সহসভাপতি নিয়ামত উল্লাহ, সাইদুজ্জামান বাবু,জাবের হোসেন জাহিদ, রবিউল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান কবির শিপলু, তরিকুল ইসলাম জনি, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী তৌহিদুর রহমান জুয়েল, ক্রীড়া সম্পাদক মাসুদুর রহমান মিলন, অর্থ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি, শিক্ষা ও পাঠচক্র মেহেদি হাসান রনি, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক রওশন ইকবাল শাহী, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক সজিবুর রহমান, সাহিত্য সম্পাদক সাগর রহমান, উপ গণযোগযোগ সম্পাদক সবুজ বিপ্লব, সদস্য এসএম জাবেদ উদ্দিন, আলমগীর হোসেন, ইয়াসিন কাজল, সালসাবিল আহম্মেদ, পুরাতন হল শাখার সভাপতি আলমগীর হোসেন বিদ্যুৎ ও সাধারণ সম্পাদক অনুপ সরমা প্রমুখ।
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোরে শীর্ষ সন্ত্রাসী ফিঙে লিটন বাহিনীর বোমা হামলা ও গুলিবর্ষণে গুরুতর আহত পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও যশোর পুরাতন টায়ার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম (৫২) মারা গেছেন। মঙ্গলবার রাতে গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলার শিকার নজরুল চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকালে মারা যান। এর একমাস আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বরও তাকে গুলি করে শীর্ষ সন্ত্রাসী ফিঙে লিটন বাহিনীর ক্যাডাররা। এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বুধবার সড়ক অবরোধসহ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। পুলিশ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জনকে আটক ও অস্ত্র, গুলি, বোমা উদ্ধার করেছে। এদিকে নজরুল হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শেষবারের মতো নিহতের কফিন জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে আনা হলে দলের সাধারণ সম্পাদক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদারসহ নেতৃবৃন্দ তাদের প্রিয়নেতার কফিনে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
প্রত্যদর্শীরা জানান, আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা রোড তালতলা এলাকায় তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় ভারতে পালিয়ে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসী ফিঙে লিটন বাহিনীর ক্যাডার নান্নু ও ডিম রিপনের নেতৃত্বে ৮/১০ জন সন্ত্রাসী তার প্রতিষ্ঠানে ঢুকে প্রথমে বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এরপর তাকে ল্য করে ৩/৪ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। এর কয়েকটি তার শরীরে বিদ্ধ হয়। গুলি করে সন্ত্রাসীরা আরও দু’টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে চলে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এখানে প্রায় ৩ ঘণ্টা চিকিৎসা সেবা দেয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খুলনায় নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক জানান, নজরুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে অস্ত্র, গুলি, বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার ভোর থেকে দুুপুর পর্যন্ত শহরের বারান্দী মোল্লাপাড়া, ঢাকা রোড, সিটি কলেজপাড়াসহ আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে এদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো শহরের বারান্দী মোল্লাপাড়া এলাকার সিরাজ মিয়ার ছেলে রনি, রবিউল ইসলামের ছেলে হৃদয় , দিপু বিশ্বাসের ছেলে সুমন, আব্দুর রহমানের ছেলে মেহেদি হাসান, খালধার রোড এলাকার জামির হোসেনের ছেলে সাজ্জাদ ও নীলগঞ্জ এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে মহসিন। অভিযানকালে পুলিশ এদের আটক ছাড়াও ১টি ওয়ানশুটার গান, ১ রাউন্ড গুলি, ৩টি তাজা বোমা, আধাকেজি গান পাউডার, ২কেজি জালের কাঠি, ৪টি খালি জর্দার কৌটা উদ্ধার করে।
এদিকে, নজরুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন ঢাকা রোড তালতলা এলাকার ব্যবসায়ীসহ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে বুধবার যশোর-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে তারা। সকাল ১০টা থেকে ১২ পর্যন্ত প্রায় দু’ঘণ্টা এ অবরোধে যশোর-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে মঙ্গলবার রাতেই হামলার প্রতিবাদে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করেন। বুধবার সকালে ঢাকা রোড তালতলা ও মনিহার চত্বর এলাকার ব্যবসায়ীরা তাদের দোকানপাট বন্ধ করে দেন। এরপর তারা যশোর-খুলনা মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। প্রায় দু’ঘণ্টা অবরোধ শেষে প্রতিবাদ সমাবেশে যশোর পুরাতন টায়ার ব্যবসায়ী সমিতির সহ সভাপতি কাওসার আহমেদের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম মিন্টু, রণজিৎ কুমার পাল, নজরুল ইসলাম, আব্দুর রউফ, মোহাম্মদ সেলিম প্রমুখ।
অপরদিকে, নিহতের লাশ যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের সদস্যদের হাতে হস্তান্তর করা হয়। দুপুরে যশোর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে নামাজে জানাজা শেষে লাশ মরহুমের গ্রামের বাড়ি ঢাকার বিক্রমপুরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২৯ সেপ্টেম্বরও আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম (৫২) ও পরিবহণ শ্রমিক রিপনকে গুলি করে ফিঙে লিটন বাহিনীর সদস্যরা। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সুস্থ হয়ে নজরুল ইসলাম ফিঙে লিটন বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত তুলে ধরেন। ওই হামলার একমাস পর দ্বিতীয় দফা হামলায় প্রাণ দিলেন নজরুল ইসলাম।
অপরদিকে, নিহতের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে জেলা আওয়ামী লীগ, জেলা যুবলীগ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ ও যুবমহিলা লীগ, জাতীয় মহিলা সংস্থার জেলা শাখা, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ, জেলা ছাত্রলীগ, জেলা শ্রমিকলীগ, এক নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, সদর উপজেলা যুবলীগ, বাংলাদেশ পরিবহন সংস্থা শ্রমিক সমিতি, পুরাতন টায়ার ব্যবসায়ী সমিতি, মোটরপার্টস ব্যবসায়ী সমিতি প্রমুখ সংগঠন। জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আলী রায়হান, সিনিয়র সদস্য হায়দার গণি খান পলাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মীর জহুরুল ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক খয়রাত হোসেন, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল খালেক, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাড. আসাদুজ্জামান আসাদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কাদের, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান মুকুল, উপ প্রচার সম্পাদক ফারুক আহম্মেদ কচি, সদস্য রেজাউল ইসলাম রেজা, ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক খায়রুজ্জামান খসরু, শহর শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন সিদ্দিকী, সদর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক শাহারুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের সহসভাপতি মুনির হোসেন টগর, প্রচার সম্পাদক জাহিদ হোসেন মিলন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক এহসানুল হক লিটু, জেলা মহিলা লীগের সভাপতি নুর জাহান ইসলাম নিরা, মহিলা সংস্থার জেলা চেয়ারম্যান লাইজু জামান, জেলা যুবমহিলা লীগের সভাপতি মঞ্জুন্নাহার নাজনীন সোনালী, সাধারণ সম্পাদক শেখ রোকেয়া পারভীন ডলি, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম মাহমুদ হাসান বিপু ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জুয়েল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফুল ইসলাম রিয়াদ, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুল, সহসভাপতি নিয়ামত উল্লাহ, সাইদুজ্জামান বাবু,জাবের হোসেন জাহিদ, রবিউল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান কবির শিপলু, তরিকুল ইসলাম জনি, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী তৌহিদুর রহমান জুয়েল, ক্রীড়া সম্পাদক মাসুদুর রহমান মিলন, অর্থ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি, শিক্ষা ও পাঠচক্র মেহেদি হাসান রনি, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক রওশন ইকবাল শাহী, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক সজিবুর রহমান, সাহিত্য সম্পাদক সাগর রহমান, উপ গণযোগযোগ সম্পাদক সবুজ বিপ্লব, সদস্য এসএম জাবেদ উদ্দিন, আলমগীর হোসেন, ইয়াসিন কাজল, সালসাবিল আহম্মেদ, পুরাতন হল শাখার সভাপতি আলমগীর হোসেন বিদ্যুৎ ও সাধারণ সম্পাদক অনুপ সরমা প্রমুখ।

শেয়ার