আন্তর্জাতিক সোনা চোরাচালান চক্রের এজেন্ট অলোকের বিরুদ্ধে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ আন্তজার্তিক সোনা চোরাচালান চক্রের এজেন্ট সমাজের কাগজের সত্ত্বাধিকারী অলোক অধিকারীর বিরুদ্ধে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিভিন্ন দেশে সোনা পাচার করে তিনি কোটি কোটি টাকা উপার্জন করেন। ইতোপূর্বে তিনি সোনাসহ ভারতীয় প্রশাসনের হাতে আটক হয়েছেন। কিন্তু প্রশাসনের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার ছত্রছায়ায় থাকায় তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ পথে সোনা পাচারে বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক রয়েছে। বাংলাদেশে সে নেটওয়ার্কের হোতা অলোক অধিকারী। অল্প সময়ের মধ্যে তার আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে। সোনা চোরাচালানের বিষয়টি জায়েজ করতে তিনি যশোরের জেসটাওয়ার ও স্বর্ণপট্টিতে অধিকারী ও নিউ অধিকারী নামে দুটি জুয়েলার্সের দোকান খুলে বসেছেন। মূলত জুয়েলারির ব্যবসার আঁড়ালে সেখানে চলে চোরাই সোনা বিকিকিনির কারবার। সম্প্রতি তিনি ১০ কেজি সোনাসহ ভারতের কোলকাতায় গ্রেফতার হন। সেখানে কিছুদিন কারাভোগের পর আবার দেশে ফিরে আসেন। বর্তমানে তিনি বাঁধন ফ্রুট নামে একটি কোম্পানির যশোরের ডিলারশিপ নিয়েছেন। ওই কোম্পানির প্যাকেটে কুরিয়ার সার্ভিস ও বিভিন্ন পরিবহন সোনা পাচার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সূত্রমতে, অবৈধ পথে উপার্জনের টাকায় অলোক অধিকারী বারান্দীপাড়ায় দ্বিতল বিশিষ্ট বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ করেছেন। ওই বাড়িতে যাতায়াত করে প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তা। তাদের ছত্রছায়ায় অলোক অধিকারী অবাধে চোরাকারবারীর ব্যবসা পরিচালনা করছেন। কোতোয়ালি পুলিশের সাথে রয়েছে তার গভীর সখ্যতা। প্রায়ই তাকে গভীর রাতে কোতোয়ালি থানায় ও দড়াটানার চাইনিজ রেস্টুরেন্ট ফুড ভ্যালী ও নাজমা হোটেলে দেখা যায়।
সূত্রমতে, মূলত সোনা চোরাকারবার অবাধে পরিচালনার জন্যই তিনি সমাজের কাগজ পত্রিকাটি পরিচালনা করছেন। পত্রিকাটিকে অবৈধ কাজের জন্য হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুললে পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে বানোয়াট কেচ্ছা লিখে দেন। ইতোমধ্যে ওই পত্রিকায় দু’ব্যক্তিকে জড়িয়ে ভিত্তিহীন সংবাদ লেখার অভিযোগে আদালতে দুটি মামলা হয়েছে। মণিরামপুরের খেদাপাড়ার জনৈক জর্জ ও এনআই খানের ভাই হাবিব খান বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

শেয়ার