যশোরে শাহীন চাকলাদারকে লক্ষ্য করে ছাত্রদল শিবির ক্যাডারদের বোমা, গুলি

গতকাল ভৈরব চত্ত্বরে হরতাল বিরোধী সমাবেশে আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।
গতকাল ভৈরব চত্ত্বরে হরতাল বিরোধী সমাবেশে আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ যশোরে হরতাল চলাকালে ছাত্রদল শিবির ক্যাডাররা জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদারকে পিছন দিক থেকে বোমা হামলা ও গুলি বর্ষণ করেছে। তবে দলীয় নেতা কর্মীদের প্রতিরোধের মুখে তার কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। রোববার দুপুরে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিহত যুবলীগ নেতা আলমগীর হোসেন শিমুলের লাশ দেখতে যাওয়ার পথে তার উপর হামলা করা হয়। এঘটনায় যুবলীগ গতকাল বিকালে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শাহীন চাকলাদার বেলা ১১টার দিকে নওয়াপাড়া পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন শিমুলের লাশ দেখতে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হন। তিনি দড়াটানা পার হয়ে হাসপাতালের গেট অতিক্রমকালে পিছন থেকে ছাত্রদল শিবির ক্যাডাররা বোমা হামলা ও গুলি বর্ষণ করে। এসময় ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শর্টগানের গুলি ও গ্যাসগান ব্যবহার করে। পরে ছাত্রলীগের কর্মীরা ধাওয়া করলে জামায়াত বিএনপি’র ক্যাডাররা ঘোপে সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের বাড়ির দিকে চলে যায়। এর পর পুরোমাঠ নিয়ন্ত্রনে নেয় জেলা আওয়ামী লীগ। শাহীন চাকলাদারকে লক্ষ্য করে বোমা ও গুলি বর্ষনের ঘটনা পুর্ব পরিকল্পিত বলে মনে করছে সংগঠনের নেতা কর্মীরা। তাদের দাবি বিএনপি’র এক শীর্ষ মেতা এর মদদ যুগিয়েছেন। ঘটনার সময় ওই নেতার আর্শীবাদপুষ্ট জেলা বিএনপি ও জামায়াতের শীর্ষ নেতারা সেখানে উপস্তিত ছিলেন।
সুত্রমতে শীর্ষ ওই বিএনপি নেতার সন্ত্রাসী কার্মকাণ্ড ও অবৈধ স¤পদের বিরুদ্ধে শাহীন চাকলাদার বিভিন্ন সময় সভা সমাবেশে বক্তব্য দিয়ে আসায় ভিতরে ভিতরে ক্ষিপ্ত ছিল তিনি। এর প্রতিশোধ নিতে তিনি গতকাল ছাত্রদল ও শিবিরকে কাপুরুষের মতো তার পিছনে লেলিয়ে দেয়। তবে দ্রুত হাসপাতালের ভিতর পৌঁছে যাওয়ায় কোন অসুবিধা হয়নি। অন্যদিকে, শাহীন চাকলাদারকে লক্ষ্য করে বোমা ও গুলি বর্ষণের খবর পেয়ে ছাত্রলীগ কর্মীদের তাৎক্ষণিকভাবে সংঘবদ্ধ হয়ে ওই ক্যাডারদের ধাওয়া করে। তখন ছাত্রদল ও শিবির নেতারা ঘোপ এলাকায় তরিকুল ইসলামের বাড়ির দিকে পালিয়ে যায়। এর পর পুরো মাঠ নিয়ন্ত্রনে আসে আওয়ামী লীগের।

শেয়ার