সমঝোতার দিকে তাকিয়ে সিইসি!

cec
বাংলানিউজ ॥
সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের দিনক্ষণ গণনা শুরু হলেও এখনো প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের সমঝোতার দিকে তাকিয়ে আছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দিন আহমেদ।
রোববার সন্ধ্যা সোয়া ছয়টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদরে সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নির্বাচনের দিনক্ষণ গণনা শুরু হলেও এখনো নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হাতে কোনো আচরণবিধি নেই কেন এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘আমরা এতদিন আচরণবিধি করিনি এই জন্য যে, আমরা বড় দুই রাজনৈতিক দলের সমঝোতার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। আমরা আগেই যদি আচরণবিধির মাধ্যমে রাজনৈতিক আলোচনার দরজা তড়িঘড়ি করে বন্ধ করে দেই, তখন আর আলোচনার সুযোগ থাকতো না।’
নির্বাচন কমিশনের নির্বাচনকালীন মনিটরিং ক্ষমতা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন আচরণবিধিতে এ বিষয়গুলো সুনির্দিষ্ট করা হবে।’
সিইসি বলেন, ‘নির্বাচনপূর্ব সময় আবার কী জিনিস! এই ৯০ দিনের মধ্যে আমাদের নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এখানে পূর্ব আর পরবর্তী বলে কিছু নেই।’
দুই নেত্রীর টেলিসংলাপ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এটা তো ভালো খবর! খুবই আশার কথা। দুই নেতার কথা হয়েছে, এটা টেবিলে না হলেও টেলিফোনে হয়েছে। এটা একটি আশাবাদ।’
সারাদশে বোমা হামলা ও সহিংসতা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এটা নিরাপত্তাহীনতা নয়। এগুলো বিছ্ন্নি ঘটনা। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটা উচিত নয়!’
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (আরপিও) থেকে নির্বাচনের অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জনের জন্য যে তিন বছরের অভিজ্ঞতার বাধা রয়েছে, সংসদীয় কমিটি সেটা বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এ সম্পর্কে সিএইসি বলেন, ‘সংসদ তো সব ক্ষমতার উৎস। জনগণ তাদের ভোট দিয়ে সংসদে পাঠিয়েছেন। আমরা এ ধরনের কোনো প্রস্তাব দেই না। তারাও আমাদের কোনো পরামর্শ চায় না। দেখা যাক, সংসদ কী করে!’

শেয়ার