ওবামার সম্মতিতে ফোনে নজরদারি

obama
বাংলানিউজ ॥
জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মেরকেলের ফোনে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসএ) নজরদারির কথা ২০১০ সাল থেকেই জানতেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনএসএ’র শীর্ষস্থানীয় এক কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে এমন প্রতিবেদন করেছে জার্মানির প্রভাবশালী পত্রিকা ‘বিল্দ অ্যাম সোনতাগ’।
পত্রিকাটি জানায়, মেরকেলের ফোনে অভিযানের ব্যাপারে ২০১০ সালে ওবামাকে ব্রিফ করেছিলেন এনএসএ’র তৎকালীন প্রধান কেইথ আলেক্সান্ডার।
এনএসএ’র ওই কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে পত্রিকাটি জানায়, কেইথ জানানোর পর ওবামা এই গোয়েন্দা নজরদারি থামাতে বলেননি, বরং অব্যাহত রাখতে বলেন।
এর আগে, গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মেরকেলের ফোনে এনএসএ গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছে বলে দাবি করে জার্মানির প্রভাবশালী সাময়িকী ডের স্পিগেল।
সংবাদ মাধ্যমটির দাবি, মেরকেল চ্যান্সেলর নির্বাচিত হওয়ার আগে ২০০২ সাল থেকেই তার ফোনে এনএসএ নজরদারি চালিয়ে আসছে বলে তাদের কাছে তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। ২০১৩ সাল পর্যন্ত তার ফোনে এনএসএ এ নজরদারি চালিয়ে আসছিল বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
তবে, মেরকেলের ফোনে নজরদারি কী ধরনের ছিল এ ব্যাপারটি তথ্য প্রমাণে পরিষ্কার নয় বলে স্বীকার করেছে ডের স্পিগেল।
অবশ্য, মেরকেলের কথোপকথন রেকর্ড অথবা সেটি সহজেই এনএসএ হস্তগত করে থাকতে পারে বলে জানায় সংবাদ মাধ্যমটি।
যুক্তরাষ্ট্রের এমন নজরদারির কথা ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর জার্মানিজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্ত করতে ওয়াশিংটনে শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছে জার্মানি।
গত শুক্রবার জার্মানি ও এনএসএ’র গোয়েন্দাগিরির শিকার আরেকটি রাষ্ট্র ফ্রান্স জানিয়েছে, এ বছরের শেষ নাগাদই আর কোনো ধরনের গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হবে না মর্মে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করতে চায় তারা।

শেয়ার