আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান বিএনপির হরতাল থাকছে

সমাজের কথা ডেস্ক॥ শনিবারের মধ্যে সংলাপের উদ্যোগ নেয়া না হলে আগামী তিন দিনের হরতালের ঘোষণা দেয়া হলেও এখন এই কর্মসূচির পর আলোচনায় বসতে চেয়েছে তারা।
তবে সরকারের পক্ষ থেকে নির্দলীয় সরকারের দাবি নীতিগতভাবে মানার ঘোষণা দেয়া হলে সব কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হবে, বলেছেন বিরোধীদলীয় নেতার প্রেসসচিব মারুফ কামাল খান।
শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার টেলিফোন আলোচনার পর সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোন পেয়ে ৩৭ মিনিট কথা বলার সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের পাশে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে মারুফ কামালও ছিলেন।
নির্দলীয় সরকারের দাবিতে আন্দোলন বিএনপিকে নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকারের প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী।
হরতাল প্রত্যাহারে প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের জবাবে তাকে বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন, এটা ১৮ দলীয় জোটের কর্মসূচি বলে এই মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদলানো সহজ নয়।
“বিরোধীদলীয় নেতা এটাও বলেন, আপনি (প্রধানমন্ত্রী) যদি এই টেলিফোনটি গতকাল (শুক্রবার) করতেন, তাহলে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেয়া যেত। এখন আমার একার পক্ষে হরতাল কর্মসূচি প্রত্যাহার সম্ভব নয়।”
২৮ অক্টোবর গণভবনে যাওয়ার প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণ পেয়ে বিরোধীদলীয় নেতা আওয়ামী লীগ সভানেত্রীকে বলেছেন, “ওই দিন হরতাল কর্মসূচি থাকবে। ২৯ অক্টোবর সন্ধ্যার পর যে কোনো সময়ে আলোচনার জন্য আপনি ডাকলে তাতে আমি সাড়া দেব।”
সমঝোতার বিষয়ে তিনি খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রীকে বলেছেন, “আপনি সর্বদলীয় সরকারের প্রস্তাব দিয়েছেন। আমি নির্দলীয় অন্তর্র্ব্তীকালীন সরকারের একটি প্রস্তাব দিয়েছি। এই দুটি প্রস্তাব সমন্বয় করে সমঝোতা হতে পারে বলে আমি মনে করি।”
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোন আসার সম্ভাবনায় সন্ধ্যায় গুলশানের বাড়িতে অপেক্ষায় ছিলেন বিরোধী নেত্রী। কথা বলার পর রাত ৯টার দিকে তিনি গুলশানের কার্যালয়ে যান।

শেয়ার