রাজসিংহাসনকে ‘বোঝা’ ভাবেন প্রিন্স চার্লস

prince
সমাজের কথা ডেস্ক ॥ রাজা বা রানীর উপাধিটি কে না নিতে চান। সুযোগ পেলেই রাজসিংহাসন দখলে নেওয়ার ঘটনা ভুরি ভুরি রয়েছে পৃথিবীতে।
কিন্তু ব্রিটেনের রাজসিংহাসনের প্রথম উত্তরাধিকার রাজার উপাধি নিতে নারাজ। রাজসিংহাসন আরোহনকে তিনি ‘কয়েদি’র জীবন বরণ করা হিসেবে ভাবেন। তার কাছে এ ‘দায়িত্বের বোঝা’ অনেক ভারী।
প্রিন্স চালর্সের এ অনীহার কারণ কি? দাতব্য ও পরিবেশ বিষয়ক যেসব সেবামূলক কর্মকা-ের সঙ্গে তিনি জড়িতে সেগুলো নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাওয়াই তার উদ্দেশ্যে। ৪২৮টি দাতব্য সংস্থায় পৃষ্ঠপোষক চার্লস। ২৫টির বেশি দাতব্য সংস্থা তিনি নিজেই স্থাপন করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জনপ্রিয় সাময়িকী টাইমে ব্রিটেনের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ পুত্রের প্রফাইল প্রকাশিত হয়েছে। প্রিন্স চার্লসের ৫০ জন ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও বন্ধুদের মাধ্যমে জানা গেছে তার এই বিস্মিত ভাবনাটি।
প্রিন্স চালর্সকে নিয়ে প্রচ্ছদ গল্প বানানোর জন্য টাইমের ক্যাথেরিন মায়ের ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়ালেসে রাজপ্রসাদে গেছেন একাধিকবার। চার্লসের বিভিন্ন বৈঠক ও তার সরকারি সফরসঙ্গী হিসেবে থেকেছেন।
ক্যাথেরিন মায়ের বলেছেন, আগামী মাসে শ্রীলঙ্কায় কমনওয়েলথ সম্মেলনে ৮৭ বছর বয়সী রানী ডিপুটি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে ৬৪ বছরের চালর্সকে। কিন্তু চার্লস এসব দায়িত্ব তেমন আনন্দের সঙ্গে নেবেন না।
‘দ্য ফরগটেন প্রিন্স’ শিরোনামের স্টোরিতে বলা হয়েছে, এক প্রজন্ম টপকে উইলিয়ামকে রাজত্বের দায়িত্ব দেওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে ব্রিটিশ ক্লিয়ারেন্স হাউজ টাইমের দাবিকে নাকচ করে দিয়েছে। ক্লিয়ারেন্স হাউজের এক মুখপাত্র বলেছেন, এটা প্রিন্স অব ওয়ালেসের মতামত নয়। যেহেতু তিনি এসব কথা বলেননি তাই এটি বলা যায় না। সারা জীবন প্রিন্স দায়িত্বের সঙ্গে রানীকে সহায়তা করেছে এবং একই সঙ্গে তার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন এবং দাতব্য কর্মকা- চালাচ্ছেন।

শেয়ার