মণিরামপুরে কার্তিক চন্দ্রের অবৈধ সম্পদের উৎস অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছে দুদক

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে লাখ লাখ টাকা উপার্জন করেছেন মণিরামপুরের শ্যামনগর গ্রামের কার্তিক চন্দ্র রায়। তিনি একজন সরকারি কর্মচারী হলেও যুবকদের চাকরির প্রলোভন, মন্দিরের টাকা লুটপাট এবং কর্মক্ষেত্রে দুর্নীতি করে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। তার বিরুদ্ধে এলাকার আধিপত্য বিস্তারসহ নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। ইতোমধ্যে তার অবৈধ সম্পদের উৎস অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছে দুদক।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মণিরামপুরের শ্যামনগর গ্রামের কার্তিখ চন্দ্র রায় বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। এলাকায় নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ড তার মদদে হয়ে থাকে। তার সহযোগী হিসেবে একই এলাকার পরিতোষ সরকার কাজ করেন। তারা বেকার যুবকদের চাকরির প্রলোভন দিয়ে টাকা আত্মসাত করছে। কার্তিক চন্দ্র রায় কেশবপুরের পাঁজিয়া ভূমি অফিসে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন। কিন্তু তার সত্ত্বেও তিনি এলাকাায় আধিপত্য বিস্তার করে নানাভাবে ফায়দা হাসিল করছেন। এলাকার মন্দির উন্নয়নের নামে লুটপাট করেছেন। এতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হলেও কার্তিক চন্দ্রের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। প্রকারন্তে এলাকাবাসী তার কাছে জিম্মি। কিন্তু সম্প্রতি কার্তিক চন্দ্র রায় কোটি টাকা ব্যায়ে এলাকায় একটি বিলাস বহুল বাড়ি নির্মাণ কাজ শুরু করেন। বিষয়টি দুদকের নজরে আসে। কার্তিক চন্দ্রের অবৈধ সম্পদের উৎস কী তা তদন্তে মাঠে নামে দুদকের একটি দল। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কার্তিক চন্দ্র রায়। তিনি সম্পদ আড়াল করতে নানা ফন্দি ফিকির করছেন। এছাড়া বিষয়টি ধামা চাপা দিতে বিভিন্ন স্থানে দেনদরবার শুরু করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর কার্তিক চন্দ্রের অবৈধ সম্পদের উৎস অনুসন্ধানসহ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

শেয়ার