২৭ অক্টোবর থেকে ৩ দিন হরতাল!

hortal
সমাজের কথা ডেস্ক॥ আগামী ২৫ অক্টোবর ঢাকায় মহাসমাবেশের অনুমতি না দিলে ২৭ অক্টোবর থেকে টানা তিন দিন হরতাল দিতে পারে বিএনপি।
শনিবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে বৈঠক সূত্র।
তবে ঢাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে আপাতত রোববার জেলায় জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।
দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বৈঠকে শেষে রোববারের কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
তবে এ সময় টানা হরতালের বিষয়ে কিছু বলেন নি তিনি। যদিও বৈঠক সূত্র বলছে, তিন দিনের হরতাল প্রয়োজনে পাঁচ দিনের হরতালেও গড়াতে পারে।
বৈঠক থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, ঢাকা মহানগরীতে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে রোববার সারাদেশের জেলায় জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে বিএনপি।
তার এ বক্তব্যের কিছুক্ষণ পর রাত সাড়ে ন’টার দিকে স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষ হয়।
এর আগে রাত পৌন ন’টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে বৈঠক শুরু হয়।
বৈঠকে শুক্রবার জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ, রোববার থেকে পববর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ঢাকা মহ‍ানগরীতে সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধকরণ, বর্তমান পরিস্থিতিতে দলের করণীয় ও পরবর্তী আন্দোলন কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা হয় বলে জানিয়েছে দলীয় সূত্র।

বৈঠকে আরো অংশ নেন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, এমকে আনোয়ার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস, ব্রিগেডিয়ার (অব.) আসম হান্নান শাহ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সরোয়ারি রহমান প্রমুখ।
বৈঠকে শুক্রবার জাতির উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ভাষণ নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন বিএনপি নেতারা। প্রধানমন্ত্রী একেক সময় একেক কথা বলেন বলে তাকে বিশ্বাস করা যায় না- এ মত প্রকাশ করে একাধিক নেতা দলীয় প্রধানকে চিন্তা-ভাবনা করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহবান জানান।

এদিকে রোববার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপি সমর্থিত পেশাজীবীদের সমাবেশ রয়েছে। ওই সমাবেশে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রধান অতিথি হিসেব থাকার কথা রয়েছে।
বিএনপির একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, পেশাজীবীদের সমাবেশে ও জেলায় জেলায় যে বিক্ষোভ-সমাবেশ ডাকা হয়েছে তাতে বাধা দেওয়া হলে, কোনো অপ্রতিকির ঘটনা ঘটলে বা সংঘর্ষ হয় তাহলে এ হরতাল কর্মসূচি আরও এগিয়ে আনা হতে পারে।

শেয়ার