র্দুযোগে মৃত্যুহার কমায় প্রযুক্তি

ternedo
সমাজের কথা ডেস্ক॥ প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে গত এক দশকের মধ্যে ২০১২ সালে প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষের মৃত্যুর হার সবচেয়ে কম বলে জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিস (আইএফআরসি)।

এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ পত্রিকা গার্ডিয়ান আইএফআরসির বরাতে জানিয়েছে, তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানব মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে বিশেষভাবে সহায়তা করে।

সম্প্রতি ভারতের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া সাইক্লোন পাইলিনে ক্ষতিগ্রস্ত হয় উড়িশ্যা রাজ্য। ১৯৯৯ সালে এ রাজ্যে একটি সাইক্লোনে ১০ হাজার মানুষ মারা যায় । এবার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তুলনামূলক

এর পেছনে ছিল আধুনিক প্রযুক্তির যুগান্তকারী ভূমিকা। মোবাইল ফোনে দুর্যোগের আগাম খবর দ্রুত একপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্তে ছড়িযে যায়। এতে বিপদ মুহূর্তের আগেই নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় সম্ভাব্য দুর্যোগপ্রবণ এলাকার মানুষ। এ ছাড়া পরবর্তীতেও তাদের খোঁজ-খবর নেওয়া সহজ করে দেয় প্রযুক্তি।

ওয়ার্ল্ড ডাইজেস্টার রিপোর্ট ২০‌১৩-তে জানা গেছে গত এক বছরে সবচেয়ে কম মানুষ দুর্যোগে মারা গেছে।

২০১২ সালে প্রাকৃতিক দুর্যোগে গড় মৃত্যুহার ৯০ ভাগ কমলেও দুর্যোগ পরবর্তী ব্যয় হয়েছে সবচেয়ে বেশি।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম খবর জানাতে আইএফআরসি ও টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি ট্রিলোজি মিলে তৈরি করেছে টেরা এসএমএস সিস্টেম। এতে একসঙ্গে ৩০ লাখ মানুষের কাছে এসএমএসের মাধ্যমে দুর্যোগের আগাম খবর পাঠানো যায়। দুর্যোগের আগাম সতর্কবাণী ও পরবর্তী সময়ে রোগ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে হাইতি ও সিয়েরা লিয়নে এ প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু হয়েছে।

এ প্রযুক্তি ৪০টি দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার আশা প্রকাশ করেছে রেড ক্রিসেন্ট ও রেড ক্রস। এজন্য সরকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে সাহায্য চেয়েছে রেড ক্রিসেন্ট।

প্রতিবেদনে দুর্যোগপ্রবণ ১১টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষে। পরবর্তীতে রয়েছে কঙ্গো, সুদান, পাকিস্তান, নাইজেরিয়া, নেপাল, উগান্ডাসহ আরও কয়েকটি দেশ।

শেয়ার