শিল্পমান থাকলে ছত্রাকেও ‍আপত্তি নেই জয়ার

joya
সমাজরে কথা ডস্কে॥ রোদ যখন কড়া থাকে মেজাজ তখন চড়া থাকে। বর্ষার জলটানা রোদ মাথায় নিয়ে ঘর থেকে পথে নেমেছি মাত্র। এসময় বেজে ওঠে সেল ফোন। অভিনেত্রী জয়া আহসানের কণ্ঠ। ‘রাব্বানী ভাই তুমি কি এক্ষণই আমার বাসায় আসতে পারবে?’ জবাবে বলি ‘এখনই পারবো না। আমার বাসা থেকে আপনার বাসা পর্যন্ত যেতে যেটুকু সময় লাগে ওইটুকু সময় দিলে পারবো।’ জয়া বললেন, ‘তুমি চলে এসো আমি দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বাসায় আছি।’

ওকে বলে ফোন কাটলাম। রিকশায় উঠলাম। পথে রিকশা থামিয়ে কলম আর নোটবুক কিনে নিলাম। পকেটে রাখতে গিয়ে খেয়াল করলাম কলম আর নোটবুক দু’টোই সবুজ রঙের। বাহ! লেবুর ঘ্রাণ নেওয়ার মত একটা নিশ্বাস নিয়ে খানিকটা সতেজ হওয়ার ভঙ্গি করে বিহঙ্গ নামে একটি সবুজ বাসে চড়ে বসলাম।

নিষ্ঠুর প্রিয় ঢাকা শহরের যানজট কাটিয়ে জয়া আহসানের ইস্কাটনের বাসায় পৌঁছাতে একটা দশ কি বিশ বেজে গেলো। সহকর্মী নূরকে সঙ্গে নিয়ে দাঁড়ালাম দরজায়। কলিং বেল চাপতে এক বালিকা এসে লোহার দরজা খুলে দিলো। বসার রুমে বসলাম। পুরো রুমটায় এক ধরনের অ্যান্টিক রূপ আর ঘ্রাণ পাওয়া যাচ্ছে।

এরই মধ্যে ভেজা চুল দুলিয়ে খানিটা উঁকি মেরে জয়া আহসান বললেন ‘স্যরি রে… অনেক্ষণ বসিয়ে রেখেছি। গোসল করছিলাম। একটু বসো এখনই আসছি’। বলেই আড়ালে চলে গেলেন অভিনেত্রী।

এর মধ্যে পাঠক আপনাদের কিছু তথ্য দিয়ে রাখি পরে ভুলে যেতে পারি! এবার ঈদে মুক্তি পেয়েছে জয়া আহসান অভিনীত ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেমকাহিনী’ নামে একটি চলচ্চিত্র। সাফিউদ্দিন সাফি পরিচালিত এ ছবিতে জয়ার সঙ্গে রয়েছেন দু-দু’জন নায়ক। একজন নাম্বার ওয়ান শাকিব খান আর অন্যজন নাটক ফেরত আরেফিন শুভ।

এ ছবিটি জয়া আহসানের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। কারণ এ ছবির ওপরই নির্ভর করছে জয়া বাণিজ্যিকভাবে হিট না ফ্লপ।

শেয়ার