ডিমিউচুয়ালাইজেশন স্কিম বিএসইসিতে জমা

stockস্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা থেকে মালিকানা পৃথককরণ  স্কিম পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) জমা দিয়েছে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ ডিএসই ও সিএসই। আজ সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রতিনিধিদল আলাদাভাবে বিএসইসিতে এই স্কিম জমা দেন।
বেলা দুইটার দিকে ডিএসইর সভাপতি আহসানুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বিএসইসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দীন নিজামীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এ স্কিম জমা দেন।
বিএসইসিতে স্কিম জমা দেওয়ার পর ডিএসইর সভাপতি আহসানুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আইন অনুযায়ী স্কিম জমা দেওয়ার যে সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল, তা সত্যিই চ্যালেঞ্জিং। তার পরও আমরা সময়মতো এ স্কিম জমা দিতে পেরেছি। আজকের দিনটি স্টক এক্সচেঞ্জের ৬০ বছরের ইতিহাসে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি, নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জে কমিশন (বিএসইসি) স্কিম অনুমোদন করবে। অনুমোদনের পর আমরা পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করব।’
আহসানুল ইসলাম আরও বলেন, ‘দি এক্সচেঞ্জেস ডিমিউচুয়ালাইজেশন অ্যাক্ট, ২০১৩-এর ৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী, যে ১৫টি ডকুমেন্ট বিএসইসিতে জমা দেওয়ার কথা ছিল, তা একটি প্রস্তাব আকারে আজ আমরা জমা দিয়েছি।’

স্টক এক্সচেঞ্জ ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইন, ২০১৩ অনুযায়ী চলতি বছরের ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের ডিমিউচুয়ালাইজেশন স্কিম ও অন্যান্য ডকুমেন্ট চূড়ান্ত করে বিএসইসির কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আজ দুই স্টক এক্সচেঞ্জ স্কিম জমা দেয়।

শেয়ার