২৮শে মে ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ঘুষ
ঘুষে এয়ারগান হলো খেলনা পিস্তল, র‌্যাঙ্ক ব্যাজ কর্তনের সুপারিশ
33 বার পঠিত

সমাজের কথা ডেস্ক : অস্ত্রসহ আটকের পর মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে রাজধানীর বাড্ডা থানার পুলিশের তিন সদস্যের বিরুদ্ধে। তাদের র‌্যাঙ্ক ব্যাজ কর্তনের সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।

এতে পরিদর্শক (সাবেক ওসি) আবদুল কাইউমের র‍্যাঙ্ক ব্যাজ অবনমন করে এসআই করার সুপারিশ করেছে। একইভাবে এসআই মেহেদী হাসান ও কনস্টেবল নজরুলের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে কমিটির প্রতিবেদনে।
এ বিষয়ে ডিএমপির ডিসি (ডিসিপ্লিন অ্যান্ড প্রফেশনাল স্ট্যান্ডার্ড) আলমগীর হোসেন বলেন, বাড্ডার ঘটনায় তিনজনের সংশ্লিষ্টতা প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত। তাদের একটি করে র‍্যাঙ্ক অবনমনের সুপারিশ করে তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দিয়েছে। এর পর অভিযুক্তদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

 

জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য নিয়ে বাড্ডার পাখির গলির বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম সুমীতের সঙ্গে একই এলাকার খায়রুল ইসলামের বিরোধ চলে আসছিল। গত বছর ২০ আগস্ট বালু চুরির অভিযোগ এনে খায়রুলের এক স্টাফকে রাস্তায় পিস্তল ঠেকিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেয় সুমীত। পরে অস্ত্র ঠেকানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয় খায়রুলের লোকজন।

 

এর পর ওই বছরের ২২ আগস্ট রাতে ওসি কাইউমের নির্দেশে বাসা থেকে সুমীতকে আটক করে বাড্ডা থানায় নিয়ে আসেন এসআই মেহেদী, কনস্টেবল নজরুলসহ একটি টিম। থানার তিনতলায় অস্ত্রাগারের পাশের একটি কক্ষে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। রাত দেড়টার দিকে অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে সুমীতকে বাসায় পৌঁছে দেন এসআই মেহেদী ও কনস্টেবল নজরুল। ওই রাত তার বাসায় কাটান পুলিশের দুই সদস্য। রাতের খাবার এমনকি পরদিন সুমীতের সঙ্গে নাশতাও করেন তারা।

 

কিন্তু বিষয়টি জানাজানি হলে পরদিন সকালে সুমীতকে সরাসরি গুলশানে ডিসির কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ‘খেলনা পিস্তল’ দেখিয়ে সাজানো জিডি করে ছেড়ে দেওয়ার আয়োজন সম্পন্ন করেছিল পুলিশ। সুমীতকে আটক, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বাসায় পৌঁছে দেওয়া এবং জিডির অধীনে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়গুলো গুলশান বিভাগের বাড্ডা থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ কমিশনার ও অতিরিক্ত উপকমিশনারের কাছে পুরোপুরি চেপে যান আবদুল কাইউম।

 

এয়ারগানকে খেলনা পিস্তল দেখিয়ে মামলা না করেই জিডির ভিত্তিতে অভিযুক্তকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় ২২ লাখ টাকা লেনদেন হয়। সুমীতের ব্যাংক হিসাব ও যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী এক আত্মীয়ের কাছ থেকে এ টাকা নেওয়া হয়।

সম্পাদক ও প্রকাশক : শাহীন চাকলাদার  |  ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আমিনুর রহমান মামুন।
১৩৬, গোহাটা রোড, লোহাপট্টি, যশোর।
ফোন : বার্তা বিভাগ : ০১৭১১-১৮২০২১, ০২৪৭৭৭৬৬৪২৭, ০১৭১২-৬১১৭০৭, বিজ্ঞাপন : ০১৭১১-১৮৬৫৪৩
Email : samajerkatha@gmail.com
পুরাতন খবর
FriSatSunMonTueWedThu
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31 
স্বত্ব © samajerkatha :- ২০২০-২০২২
crossmenu linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram