বুধবার, আগস্ট 22, 2018

ছন্দকথা প্রতিদিন – সৈয়দ আহসান কবীর

আগডুম বাগডুম বাজনা-কলে টিক্টিক্ টিক্টিক্ ঘড়ি চলে। চলে গাড়ি ভুম ভুম ভুম রাতের চোখে দিন দেয় চুম। এলাটিং বেলাটিং খেলাটিং কুত্ ছোট্ট সোনার নেই মনে যুত্। ভুত ভুত ছুৎ ছুৎ...

ছন্দকথা প্রতিদিন – সৈয়দ আহসান কবীর

এক লিখতে আরেক কথা ভাবো ক্যানো ভাই, এই ভাবোনা বদলে দিতে কী আছে উপায়? সাবধানতায় সম্ভাবনায় স্রোতের পরে স্রোতে চিন্তাগুলো পায় না যে ঠাঁই আপন আপন ব্রতে।

ছন্দকথা প্রতিদিন – সৈয়দ আহসান কবীর

ইস্টিকুটুম মিস্টিকুটুম কুটুমবাড়ি ওই, পুটুর পুটুর কুটুর কুটুর মনের কথা কই। পুঁটিভাজি ইলিশভাজি সাথে কোর্মা দই, পেটুক মামুর বিশাল ভুড়ি খোঁজে ভাজা কই।

ছন্দকথা প্রতিদিন – সৈয়দ আহসান কবীর

তা ধিন্ ধিন্ তা না ধিন্ ধিন্ তা আনন্দে কেটে যাক আমাদের দিন তা। তেরে কেটে তাক্ তেরে কেটে তাক্ ভালো সবকিছু গুলো আমাদের থাক্।

ছন্দকথা প্রতিদিন – সৈয়দ আহসান কবীর

পলাপলি, ছোঁয়াছুঁয়ি বরফপানি খেলা, ঘুরিয়ে লাটিম হাট্টিমাটিম কে খেলেছো মেলা? ইচিং বিচিং, বুড়িচ্চু আর সেই সে কানামাছি, খেললে পরে হাত তুলে কও এই যে আমি আছি।

ছন্দকথা প্রতিদিন- সৈয়দ আহসান কবীর

এমন তরো বৃষ্টি দিনে ডিম ভাজি, মাছ-খিচুড়ি, চাটনি দিয়ে খেতে মজা সাঁঝ বিকেলে কচুরি। মজার আরও খাবার আছে বৃষ্টি মাঝে থাকা চাই, মশলা মুড়ি, ভাজি-ভুড়ি এসবেরও জুড়ি নাই।

ছন্দকথা প্রতিদিন – সৈয়দ আহসান কবীর

আপদ বিপদ সব এড়িয়ে হতে হবে নিরাপদ, ছাড়তে হবে ঘাত প্রতিঘাত হতে হবে একই মত। আপন করে নিতে হবে তোমার আমার দেশটাকে খুঁজতে হবে কারা ওরা চায় ক্ষতি বা শেষটাকে।

ছন্দকথা প্রতিদিন – সৈয়দ আহসান কবীর

বর্ষা ধারায় কদম ফোটে শিউলি ফোটে শরতে, মালা গাঁথায় ধুম লেগে যায় কমলা-সাদার পরতে। কামিনীরা গন্ধ ছড়ায় ছাতিম থাকে তার পাশে, সফেদ বরণ সাজে সাজে ঋতুসেরা ফুল; কাশে।

ছন্দকথা প্রতিদিন – সৈয়দ আহসান কবীর

আজব গুজব প্লিজ প্লিজ বলতে আছে মানা, বললে আইন বসে বসে থাকবে না’ক জানা। তাইতে বলি ভালো করে বুঝে শুনে শেয়ার করতে হবে। গড়তে হবে সত্য মেনে নেয়ার।

ছন্দকথা প্রতিদিন – সৈয়দ আহসান কবীর

নিরাপদে চলতে হবে মানতে হবে নিয়ম, দেখলে গাড়ি সরতে হবে বলবে কথা কম। ফুটপথে থাক পণ্য-দোকান তবুও পাশ কেটে ধীরে ধীরে তোমার কাজে যাও এগিয়ে হেঁটে!