খুলনা বিভাগের মুক্তিযোদ্ধাদের ২২৭ সন্তানকে ভারত সরকারের বৃত্তি প্রদান

যশোরে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চেক দিলেন মৎস্য ও প্রাণী সম্পদমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ খুলনা বিভাগের ১০টি জেলার মুক্তিযোদ্ধাদের ২২৭ সন্তানকে বৃত্তি দিয়েছে ভারত সরকার। ভারতীয় হাই কমিশনের ‘মুক্তিযোদ্ধা বৃত্তি স্ক্রিম’ এর আওতায় এই বৃত্তি প্রদান করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে যশোর জিলা স্কুল অডিটোরিয়ামে ‘মুক্তিযোদ্ধা একাডেমিক ট্রাস্ট’ এই বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
মুক্তিযোদ্ধাদের যেসব সন্তান উচ্চ মাধ্যমিক ও অনার্স পর্যায়ে অধ্যয়ন করছেন তাদেরকে ভারত সরকারে পক্ষ থেকে সারা দেশে ৩৫ কোটি টাকা বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। এর আওতায় গতকাল খুলনার মুক্তিযোদ্ধাদের ২২৭ জন সন্তান এই বৃত্তির চেক পেয়েছেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণী সম্পদমন্ত্রী নারায়ণ চন্ত্র চন্দ। চেক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার শুরু থেকে আজ অবধি ভারত সরকার বাংলাদেশের সাথে বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতি বজায় রেখে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ভারত সরকার আজকে আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদেরকেও বৃত্তি প্রদান করছে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে আমাদের মিত্র দেশ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলো। বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য ভারতের সৈন্যরাও জীবন দিয়েছেন। আমরা মিত্রবাহিনীর সেসব সৈন্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।’
এসময় ভারতীয় দূতাবাসের সহকারী হাই কমিশনার (খুলনা) রাজেশ কুমার রায়না উপস্থিত ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধা একাডেমিক ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ড. আবুল আজাদের সভাপতিত্বে বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বৃহত্তর যশোর জেলা মুজিব বাহিনীর প্রধান আলি হোসেন মনি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান প্রফেসর ড. এম শাহিনুর রহমান এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হুসাইন শওকত।
ভারতীয় হাই কমিশন সূত্র জানায়, ২০০৬ সাল থেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য স্নাতক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে এই বৃত্তি চালু রয়েছে। স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদেকে চার বছরের জন্য ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদেরকে দুই বছরের জন্য এককালীন এই বৃত্তি প্রদান করা হয়। এই স্কিমের আওতায় সারা দেশে ৩৫ কোটি টাকার বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।

SHARE