আলবিদা মাহে রমজান

সমাজের কথা ডেস্ক॥ রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের প্রতিশ্রুত মাস মাহে রমজান আমাদের নিকট থেকে বিদায় নিতে চলেছে। আজ ২৭ রমজানুল মোবারক। মাঝখানে আর ২/৩টি রোজা। বাকি থাকল পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর। এক মাসব্যাপী মুমিনগণ সিয়াম পালন করেছেন। এখানে ছিল শব-ই-ক্বদর’র পুণ্যময় দিবস। এ সবের মাধ্যমে মুমিনগণ নিষ্পাপ জীবন লাভ করে ধন্য হয়। কিন্তু একটা কথা। রমজানের শেষে যখন ঈদের দিন ঘনিয়ে আসে তখন কতিপয় মুসলমানদের কাছে আবার নেমে আসে আলস্য, খেয়ালিপনা। তারা ঈদের আনন্দে হারিয়ে বসে নিজেদের দায়িত্ব কর্তব্য, কৃত সংকল্প ও মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার শিক্ষা। আমাদের মনে রাখতে হবে হুজুর (স)-এর উপদেশ ও হাদিস : ইন্নামাল আ’মালু বিল খাওয়াতিনÑ পরিসমাপ্তির উপর প্রত্যেকটি কাজের ভালমন্দ নির্ভর করে।’ তাই আমাদের সিয়ামের মাসের শেষ সময়গুলো, এর সাথে সংশ্লিষ্ট ঈদ-উল-ফিতরের ইবাদত ও আহকাম পালনের মনোযোগী ও আন্তরিক হতে হবে।

সহীহ হাদিস শরিফসমূহে বছরের যে পাঁচটি রাতকে অতি মর্যাদাপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে তন্মধ্যে ঈদ-উল-ফিতর পূর্ববর্তী রাত অন্যতম। হাদিস শরিফে এসেছে রমজানের ইফতারের সময় প্রত্যেক দিন আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা এক হাজার জাহান্নামীকে নরকমুক্ত করেছেন, তাদের প্রত্যেকের জন্য দোযখে যাওয়া অবধারিত ছিল। আর রমজান মাসের শেষ দিন যখন আসে আল্লাহ সেদিন রমজানের প্রথম থেকে ঐ দিন পর্যন্ত যত পাপী তাপীকে ক্ষমা করেছেন তার সমসংখ্যক অপরাধীকে ক্ষমা করে দেন। (সুবহানাল্লাহ…)। তাই দেখা যায়, নেককার মানুষ শব-ই-ক্বদরের ন্যায় ঈদপূর্ব রাতেও ইবাদতে মশগুল হয়।

SHARE