আফ্রিনের ‘প্রান্তে পৌঁছে গেছে’ তুরস্কের বাহিনী

সমাজের কথা ডেস্ক॥ কুর্দি বেসামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে কয়েক সপ্তাহ ধরে অভিযানের পর সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আফ্রিনের প্রান্তে পৌঁছে গেছে তুরস্কের বাহিনী।
শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা যুক্তরাজ্যভিত্তিক সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস, খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

ব্যাপক বোমাবর্ষণের ছত্রছায়ায় তুর্কি বাহিনী ও তাদের সমর্থিত সিরীয় বিদ্রোহীদের দলগুলো পূর্বদিক থেকে শহরটির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে অবজারভেটরি।
তুরস্কের সেনাবাহিনী শিগগিরই আফ্রিন শহরে প্রবেশ করবে বলে শুক্রবার জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্টে রিজেপ তায়িপ এরদোয়ান। এরপর তুরস্কের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাগুলো থেকে কুর্দি যোদ্ধাদের তাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
নিজেদের সীমান্ত সংলগ্ন আফ্রিন থেকে কুর্দি ওয়াইপিজি গেরিলাদের তাড়াতে জানুয়ারিতে আফ্রিন অঞ্চলে সামরিক অভিযান শুরু করে তুরস্ক। ওয়াইপিজিকে তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে কুর্দি অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোর স্বায়ত্তশাসনের জন্য সশস্ত্র বিদ্রোহরত কুর্দি গোষ্ঠী পিকেকের বর্ধিতাংশ বলে বিবেচনা করে আঙ্কারা।
অভিযানে তুরস্কের সীমান্ত সংলগ্ন আফ্রিন অঞ্চলের সব এলাকায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে তুর্কি বাহিনী, এসব এলাকার মধ্যে বেশ কয়েকটি ছোট শহর ও বহু গ্রাম রয়েছে।
পরিস্থিতির চাপে তুরস্কের হামলা প্রতিরোধে সাহায্য করতে ওয়াইপিজি প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের সহযোগিতা চায়। যদিও ওয়াইপিজি তাদের শত্রুপক্ষ এবং গোষ্ঠীটি সিরিয়ার সেনাবাহিনীর সঙ্গে বেশ কয়েকবার খ- লড়াইয়ে জড়িয়েছে, তারপরও ওয়াইপিজির আহ্বানে সাড়া দিয়ে এগিয়ে যায় আসাদ বাহিনী।
ওয়াইপিজিকে সমর্থন দিতে গত মাসে আসাদ অনুগত বেসামরিক বাহিনীগুলো আফ্রিনে প্রবেশ করে; কিন্তু আফ্রিনে আসাদ অনুগতদের অবস্থান ও বড় ধরনের যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা সত্বেও অভিযান অব্যাহত রাখে তুরস্ক।

SHARE