যশোর ইনস্টিউিট নির্বাচন ॥ চত্বর জুড়ে প্রচারণার বিলবোর্ড
৪০ প্রার্থী ও সমর্থকদের বিরামহীন প্রচারণা

সালমান হাসান
যশোর ইনস্টিউিট চত্বর ভর্তি প্রচারণার বিলবোর্ড। ভবনের দেয়াল জুড়ে টাঙানো বিশাল আকৃতির প্যানাসাইন। ভোট চাইতে ছোটাছুটি চলছে দিনরাত্রি। ঘনিয়ে আসছে ইনস্টিউট পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের দিন। নির্বাচনকে ঘিরে ৪০ প্রার্থী আর তাদের সমর্থকরা চালাচ্ছেন বিরামহীন প্রচারণা। ফলে শহরের বিভিন্ন মহলের আলাপ আলোচনায় ঘুরপাক খাচ্ছে যশোর ইনস্টিটিউটের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন। এদিকে আসছে ২৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সার্বিক প্রস্তুতি সেরে ফেলছে নির্বাচন কমিশন।
ভোটাররা জানিয়েছেন, সংস্কার ও উন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়ে ভোটের মাঠে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে ডা. আবুল কালাম আজাদ লিটু নেতৃত্বাধীন প্যানেল। আর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে ইনস্টিটিউট পরিচালানার আওয়াজ তুলে ভোটের ময়দানে রয়েছেন ড. মুস্তাফিজুর রহমানের প্যানেল। যশোর ইনস্টিটিউট আঙিনা ঘুরেফিরে দেখা গেছে, মূল ফটক থেকে শুরু করে লাইব্রেরি ভবন, শিশুচিত্ত বিনোদন কেন্দ্র ও টাউন ক্লাবের দেয়াল জুড়ে টাঙানো হয়েছে বিরাট আকৃতির সব নির্বাচনী বিলবোর্ড আর প্যানাসাইন। এসব বিলবোর্ডের মাধ্যমে দুইটি প্যানেল তাদের প্রার্র্থীদের ছবিসহ পরিচিতি তুলে ধরেছে। এছাড়া প্যানেল দুটির প্রার্থীরা কাক ডাকা ভোর থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে প্যানেল দুটির প্রচারণার ক্ষেত্রে বেশ খানিকটা ফারাক লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ড. মুস্তাফিজুর রহমানের পরিবর্তন ও উন্নয়ন প্যানেল ভোট প্রার্থনার সময় তাদের প্রার্থীদের সংক্ষিপ্ত জীবন বৃতান্ত সম্বলিত একটি ভাজপত্র তুলে দিচ্ছেন ভোটারদের হাতে। সেই সঙ্গে ডাক দিচ্ছেন ইনস্টিটিউট পরিচালনায় উন্নয়ন, পরিবর্তন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার। এদিকে ডা. আবুল কালাম আজাদ লিটুর নেতৃত্বাধীন সংস্কার ও উন্নয়ন প্যানেলের প্রার্থীরা কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে নির্বাচনের মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের ৯ জন সদস্য প্যানেলটির প্রার্থী হওয়ায় বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন তারা। আরো উন্নয়ন ও সংস্কারের অঙ্গীকার করে ভোটারদের কাছে টানছেন প্যানেলটির প্রার্থীরা। যশোর ইনস্টিটিউটের সাধারণ সম্পাদক শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, পরিচালনা পর্ষদের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনের ভোট গ্রহণের জন্য ইতিমধ্যে ব্যালট পেপার ছাপতে দেয়া হয়েছে। তিনটি কেন্দ্রের ৬০ টি বুথে প্রতিষ্ঠানের ৩১৭৮ জন্য ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

SHARE