দুটিতে দন্ডিত তারেকের বিরুদ্ধে আদালতে আরও ৮ মামলা: মন্ত্রী

সমাজের কথা ডেস্ক॥ দুর্নীতি ও মুদ্রাপাচারের দুই মামলায় কারাদ-ে দ-িত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে একুশ অগাস্ট গ্রেনেড হামলা ও একটি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসহ আটটি মামলার বিচার কার্যক্রম চলছে বলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন।
বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফজিলাতুন নেসা বাপ্পির প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।

বিকালে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

ফজিলাতুন নেসা মন্ত্রীর কাছে জানতে চান- বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বিচারাধীন মামলাগুলো কী; তারেক রহমান কী কোনো মামলায় সাজাপ্রাপ্ত; সেটা কী মামলা এবং কবে তিনি দ-প্রাপ্ত হয়েছেন?

টেবিলে উত্থাপিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী জানান, অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে কাফরুল থানায় ২০০৭ সালে একটি মামলা করা হয়। এই মামলায় তারেক রহমান ছাড়াও তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান ও শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু আসামি হিসেবে অভিযুক্ত হন। এটি এখনও নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে তারেকের বিরুদ্ধে ২০০৪ সালের ২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলার মামলার (হত্যা মামলা ২৯/১১ ও বিস্ফোরক দ্রব্য ৩০/১১) বিচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা (১৫৫৮২/১৭) চলমান রয়েছে।

ঢাকার সিএমএম কোর্টে মানহানি মামলার (১৯৬/২০১৫) অভিযোগ তদন্তনাধীন রয়েছে। এছাড়া সি আর মামলা ৯৫৪/১৪, সি আর মামলা ৮৪১/১৪, সি আর ৬১৪/১৪ এর চলমান রয়েছে।

২০০৯ সালের ক্যান্টনমেন্ট থানার মুদ্রাপাচার মামলার রায়ে (২০১৬ সালে) সাজা হয়েছে তারেকের। আপিলে তাকে সাত বছর সশ্রম কারাদ- ও ২০ কোটি টাকা জরিমানা করে আদালত।
এছাড়া গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তারেকের ১০ বছরের সশ্রম কারাদ- ও অর্থদ- দেওয়া হয়েছে। এই মামলায় পাঁচ বছরের কারাদ- হয়েছে তারেক রহমানের মা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার, যে কারণে এখন কারাবন্দি তিনি।

SHARE