মোরেলগঞ্জে ধর্ষণের ছয় মাস পরেই সন্তান প্রসব!

মশিউর রহমান মাসুম, মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট)॥ বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ধর্ষণের ৬ মাসের মাথায় এক গৃহপরিচারিকা সন্তান প্রসব করেছেন। এনিয়ে নানা কৌতুহল ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। মোরেলগঞ্জ থানায় এ সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের হয়েছে। তবে মামলাটি আদৌ সত্য নয় বলে দাবি আসামি পক্ষের। বলা হচ্ছে, শত্রুতার কারণে অন্যের বোঝা পরিকল্পিতভাবে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে সানকিভাঙ্গা গ্রামের এক ওষুধ ব্যবসায়ীর ওপর।
শুক্রবার বিকেল ৩টায় মোরেলগঞ্জ প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এমন অভিযোগ উত্থাপন করেছেন ওই ওষুধ ব্যবসায়ীর পিতা। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গেল বছরের ৫ নভেম্বর থানায় তার ছেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন কালিকাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা কথিত ওই ধর্ষিতার মা। মামলায় তিনি বলেছেন, গত ৬ জুন তার মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে। এ ঘটনায় মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। ধর্ষণের মাত্র ৬ মাস ৩ দিন পরে গত ১০ জানুয়ারি মেয়েটি বাড়িতে বসেই একটি পরিপূর্ণ সন্তান প্রসব করে।
অভিযুক্তের পিতা বলেন, আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে একটি নোংরা মামলায় জড়ানো হয়েছে। তার দ্বারা ওই মেয়ে ধর্ষিত হয়নি। এদিকে ধর্ষণের ৬মাসের মাথায় সন্তান প্রসবের খবরে এলাকাবাসির মধ্যেও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনা সম্পর্কে মামলার আসামি বলেন, ‘আমি নির্দোষ। মেয়েটি সন্তান প্রসব করেছে। এখন ডিএনএ টেস্ট করা হোক’। এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আবুল বাসার বলেন, মামলার তদন্ত চলছে। ইতিমধ্যে ভিকটিম সন্তান প্রসব করেছে। এখন আসামির সাথে ডিএনএ প্রোফালিং করে মামলার একটা সুরাহা করা হবে।

SHARE