কুষ্টিয়ায় আগুন পোহানো নিয়ে ঝগড়া, ছুরিতে খুন দুই যুবক

সমাজের কথা ডেস্ক॥ কুষ্টিয়া সদরে আগুন পোহানো নিয়ে কথা কাটাকাটির পর ছুরিকাঘাতে দুই যুবক নিহত হয়েছেন।

রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার পরিষদের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে সদর মডেল থানার ওসি নাসির উদ্দিন জানান।

নিহতরা হলেন- সদরের চৌড়হাস এলাকার আমলা কলেজের একাদশের ছাত্র তোফাজ্জলের ছেলে সোহান (১৮) ও ডাবলু মিয়ার ছেলে বিআরবি পলিমার কারখানার শ্রমিক শামীম (২৩)।

প্রতক্ষ্যদর্শীর বরাত দিয়ে ওসি নাসির বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আগুন পোহানোকে কেন্দ্র করে সোহান ও শামীমের মধ্যে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে সোহানরা কয়েজন মিলে হামলা চালায়। এরপর শামীমের লোকজনও সোহানের উপর পাল্টা হামলা চালায়।

“এতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে দুইজনই নিহত হয়।”

শামীমের মা শিরিনা বলেন, “সোহানসহ ৪/৫ জন যুবক আমাদের গলির মধ্যে এসে গালিগালাজ করছিল। এ সময় শামীম প্রতিবাদ করলে তারা সবাই মিলে শামীমকে মারধর করতে শুরু করে, ওদের ভিতরের এক যুবক ছুরি বের করে শামীমকে আঘাত করলে সে মাটিতে পড়ে। এরপর ওরা এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।”

শামীমের চাচী টুনি খাতুন বলেন, “এলাকার কিছু মাদক সেবী যুবক প্রতিদিন আমাদের বাড়ির সীমানার বাইরে বসে মাদক সেবন করে। গতকাল রাতে সেখানে রাখা প্রতিবেশীর একটি কাঠের ভাঙ্গা আলমারিতে আগুন লাগিয়ে আগুন পোহায় তারা। এ ঘটনায় আমি তাদেরকে বকাবকি করি। ওরাই আজ সকালে দল বেঁধে এসে শামীমের উপর হামলা করে।”

সোহানের মা শিউলী খাতুন বলেন, তিনি বাড়ির সামনে চিৎকার শুনে বেরিয়ে এসে দেখেন কয়েকজন যুবক মারামারি করছে। সেখানে তার ছেলে সোহানকে মারধর করছে।

“আমি দৌড়ে গিয়ে ঠেকাতে চেষ্টা করি, এর মধ্যেই সোহান মাটিতে রক্তাক্ত অবস্থায় গড়াগড়ি খেতে থাকে। এলাকাবাসী তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।”