শালিখায় হত্যা মামলার বাদীদের ষড়যন্ত্র মামলায় জড়ানোর অভিযোগ

শালিখা (মাগুরা) প্রতিনিধি॥ শালিখা উপজেলার গজদূর্বা গ্রামের মেহেদী হত্যা মামলার আসামীদের বিরুদ্ধে মামলার বাদী ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকার হয়রানি মূলক মামলা করার অভিযোগ উঠেছে। আসামিরা হত্যা মামলা থেকে বাঁচার জন্য বাদীদের বিরুদ্ধে ভাংচুর লুটপাট সহ বিভিন্ন প্রকার অযথা মামলা করছে। মামলার বাদী নিহতের ভাই ইব্রাহিম সহ অনেকেই লিখিত ভাবে জানান, গত ২ নভেম্বর গ্রাম্য বিরোধের জের ধরে পরিকল্পিত ভাবে মেহেদীকে ধারালে অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে চিকিৎসার এক পর্যায়ে সে মারা যায়। মারা যাওয়ার পর অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় ঐ গ্রামে। এ ব্যাপারে গ্রামের জালাল মোল্যার ছেলে ওলিয়ার রহমান, খয়ের মন্ডলের ছেলে মোজাম্মেল মন্ডল, রাজ্জাক মোল্যার ছেলে কামাল মোল্যা, গণি মোল্যার ছেলে বাবলু মোল্যা সহ ১৪ জনের নামে শালিখা থানায় হত্যা মামলা হয়। যার নং ০৪/১৭। এদিকে মেহেদীকে মারার পর থেকে ও মামলা হওয়ার পর আসামীর পক্ষের লোকজন পুলিশ প্রহরায় তাদের ঘরের যাবতীয় মালামাল ও মাঠের ধান অন্যত্র সরিয়ে নেয়। কিন্তু আসামীরা এই হত্য মামলা থেকে বাঁচার জন্য বাদীদের বিরুদ্ধে লুটপাট, ভাংচুর সহ নানা রকম মামলা করছে। তারা আরো বলেন প্রায় ৮ বছর আগে আসামীরা আনছুন নামের এক ব্যক্তিকে ও হত্যা করেছিল। সে সময় কোন লুটপাট ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে নাই। আসামীরা সব সময় প্রভাবশালী। এছাড়া আসামী পক্ষীয় আব্দুর রাজ্জাক মোল্যা ৭২ সালে জনৈক চাঁদ আলী মোল্যাকে শত্র“তার কারনে হত্যা করেছিল। এ ব্যাপারে নিহতের ছেলে বজলা রহমান মাগুরা মহাকুমা প্রশাসক বরাবর রাজ্জাক মোল্যার বিরুদ্ধে মামলা করেছিল। যার নং ছিল ৩৪০/৭২। এছাড়া আসামীরা ও তাদের লোকজন ২০১১ সালে হত্যা মামলার বাদী পক্ষীয় দাউদ হোসেনকে বেদম মারপিট করে ফেলে রেখে যায়, আইয়ুব হোসেন কে মসজিদের ভেতর থেকে কুপিয়ে জখম করে, সর্বসাংদা গ্রামের আকামতের হাত কেটে যখম করে, নিহত মেহেদীর চাচা আনছার মোল্যার বাড়ীতে দূর্ধর্ষ ডাকাতি সহ আসামিরা নানা রকম অপকর্ম করে আসছে। অনেক মামলা এখনো চলমান রয়েছে। এ অবস্থায় ষড়যন্ত্রমুলক মামলা থেকে পরিত্রানের জন্য মেহেদী হত্যা বাদী পক্ষরা প্রশাসনের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।