সীমাখালী স্কুল এন্ড কলেজের এক শিক্ষক কোচিং বাণিজ্য রমরমা

শালিখা (মাগুরা) প্রতিনিধি॥ শালিখার সীমাখালী স্কুল এন্ড কলেজের ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি আইন উপেক্ষা করে বছরের পর বছর ধরে শিক্ষার্থীদের চাপ প্রয়োগ করে তিনি এই বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ব্যাপারে স্কুল কর্তৃপক্ষ, এলাকার অভিভাবক মহল ও উপজেলা শিক্ষা অফিস তাঁকে একাধিকবার নিষেধ করলেও তিনি কারো কথায় কর্ণপাত করেননি। এনিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
বিক্ষুব্ধরা বলছেন, রহস্যজনক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোন প্রকার পদক্ষেপ নিচ্ছে না। যেকারণে প্রশ্ন উঠেছে খুঁটির জোর কোথায় ? স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তিনি প্রাইভেট বাণিজ্য করতে স্কুলের পাশেই একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে কোচিং সেন্টার খুলে বসেছেন। তাঁর কাছে প্রাইভেট না পড়লে পরীক্ষায় নম্বর কম দেয়া, শিক্ষার্থীদের মারপিট করা এমনকি পরীক্ষায় ফেল করানের ভয়ভিতি দেখানোর অভিযোগও রয়েছে। এ ব্যাপারে একাধিকবার পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তবে ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে সীমাখালী স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, মিজানুর রহমান প্রাইভেট পড়ান বলে আমি শুনেছি। তবে স্কুলে প্রাইভেট পড়ান না। এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সিরাজ উদ-দৌলাহ এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রাইভেট বাণিজ্যের অভিযোগ আমি আগেই পেয়েছি। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) শেখ সামসুল আরেফিনের সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বললে তিনি বলেন, শিক্ষক মিজানুর রহমানের প্রাইভেট বাণিজ্যের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক মিজানুর রহমানের বক্তব্য নিতে মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে সীমাখালী স্কুল এন্ড কলেজে গিয়ে তাঁকে না পেয়ে তাঁর মুঠো ফোনে কথা হয়। তিনি জানান, সরকার নিষিদ্ধ করেছে কি করেনি তা নিয়ে সাংবাদিকদের কি? তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ‘বোঝাপড়া যা হবে কর্তৃপক্ষের সাথে’ বলে সংযোগ কেটে দেন।

SHARE